
ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ডাকা ২০ জুলাইয়ের পার্লামেন্ট অভিমুখে মিছিল পুলিশি বাধার মুখে পড়ার পর মঞ্চ থেকে নেহা বলেছিলেন, ‘শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের ওপর করা প্রতিটি আঘাত শেষ পর্যন্ত এই অহংকারী সরকারের পতনের কারণ হয়ে দাঁড়াবে।’
ছাত্র–জনতার আন্দোলনের মুখে ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করলেও নেহা সেটিকে চূড়ান্ত সাফল্য হিসেবে দেখেননি।
ইউটিউবে রাজ্যসভার সদস্য ও আইনজীবী কপিল সিবালের অনুষ্ঠান ‘দিল সে’তে এসে নেহা বলেন, ‘আরেকজন প্রধান এসে এই জায়গা নেবেন। এটা কোনো একজনের পদত্যাগের বিষয় নয়; এটা সরকারের ঔদ্ধত্যের বিষয়—এই দেশের সাধারণ মানুষকে বারবার ব্যর্থতার মুখে ঠেলে দেওয়া এমন একটি ব্যবস্থা আপনারা চালাতে পারেন না। বিজেপি বা আরএসএসের নেতাদের তোষামোদ করার পুরস্কার হিসেবে মন্ত্রিসভার কোনো পদ দেওয়া উচিত নয়।’
নেহা এর আগে এআইএসএ পরীক্ষা, ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (এনটিএ) এবং ২০২০ সালের জাতীয় শিক্ষানীতি নিয়ে বিভিন্ন প্রচার চালিয়েছেন। আগস্টে সংগঠনটি দেশজুড়ে ‘জেন-জি রাইজিং’ নামে একটি প্রচার শুরু করে।
এ সময় নেহা বিভিন্ন রাজ্যে গিয়ে শিক্ষার্থী ও তরুণদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। অনেকে এই উদ্যোগকে ‘রাহুল গান্ধীর কায়দা’ বলে অভিহিত করেন।