• মঙ্গল. অক্টো. 6th, 2026

বাংলাদেশের রবিন যেভাবে অস্ট্রেলিয়ার ধনকুবের

Bytrendnews

অক্টো. 6, 2026


রবিন খুদার কাছে জানতে চাই এয়ারট্রাংকে ধারণাটি কীভাবে এল? ‘২০১০ কি ২০১১ সাল থেকেই দেখছিলাম ক্লাউডসেবা জনপ্রিয় হচ্ছে। অ্যামাজন, গুগল বা মাইক্রোসফটের মতো কোম্পানিগুলো এগিয়ে তখন, তবু ডেটা সেন্টার–শিল্পে সুযোগ দেখতে পেলাম। তখন থেকেই আমি কম খরচে, কম বিদ্যুৎ ব্যবহার করে ক্লাউড স্টোরেজ নির্মাণের পরিকল্পনা শুরু করি। এভাবেই এয়ারট্রাংকের যাত্রা।’

২০১৫ সালে এয়ারট্রাংক যাত্রা শুরু করে। মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই ৪০০ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকার একটি ডেটা সেন্টার নির্মাণের কাজ পান তাঁরা। কাজটা পেয়ে মহাসংকটে পড়লেন রবিন খুদা। এই কাজ করার মতো পুঁজি এয়ারট্রাংকের নেই। ঋণ নেওয়ার জন্য ব্যাংকসহ বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের দ্বারস্থ হলেন। এয়ারট্রাংক নতুন প্রতিষ্ঠান, তেমন সুনামও নেই—তাই কেউ বিনিয়োগ করতে আগ্রহ দেখাল না। এরপরও হাল ছাড়লেন না রবিন। নিজের জমানো টাকাসহ প্রায় সব সঞ্চয় তুলে শুরু করলেন কাজ। পাশাপাশি আন্তর্জাতিকভাবে বিনিয়োগ আকর্ষণের চেষ্টা করলেন। একটা সময় সফল হলেন, ‘২০১৬ সালে ১৭ মেগাওয়াট ডেটা সেন্টার নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় ৪০০ মিলিয়ন ডলার আমাদের কাছে ছিল না। সৌভাগ্যবশত ২০১৭ সালের শুরুতে আমরা তহবিল সংগ্রহ করতে সক্ষম হই।’

তথ্য ব্যবস্থাপনা ও সংরক্ষণের জন্য অস্ট্রেলিয়ার প্রযুক্তিপাড়ায় এয়ারট্রাংক এখন সুপরিচিত নাম। তাঁর প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন সাড়ে চারশোর বেশি কর্মী। এটি দেশটির প্রথম এবং বৃহৎ হাইপারস্কেল ডেটা সেন্টার। বর্তমানে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল ও জাপানে এয়ারট্রাংকের ক্লাউডসেবা চালু আছে। অস্ট্রেলিয়া, হংকং, জাপান, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরে প্রতিষ্ঠানটির ১১টি ডেটা সেন্টার রয়েছে। আরও ৪০টি কেন্দ্র চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।



Source link

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।