[ad_1]
বাংলাদেশি পরিবারগুলোর উদ্বেগ
সৌদি আরবে প্রবাসীদের বিচারপ্রক্রিয়া ও মৃত্যুদণ্ডের যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তার প্রত্যক্ষ প্রভাব ও উদ্বেগ বাংলাদেশি পরিবারগুলোর ওপরও গভীরভাবে এসে পড়ে।
সৌদিতে বিদেশি কর্মীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশিসংখ্যক বাংলাদেশের, অন্তত ২৫ লাখ। এরপর ভারত, পাকিস্তান, ইয়েমেন ও মিসরের। ইএসওএইচআরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া ১০৮ জনের মধ্যে বাংলাদেশের নাগরিকও আছেন। সম্প্রতি পবিত্র মক্কার একটি মসজিদে ‘অনৈতিক কাজ’ করার অপরাধে দোষী সাব্যস্ত দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে; তাঁরা ওই ছয় মাসের হিসাবের বাইরে। ওই সময়ে কতজন বাংলাদেশির সাজা কার্যকর হয়েছে, তা জানা যায়নি।
আগেই বলা হয়েছে, সৌদি আরবের আদালত ও বিচারব্যবস্থায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত প্রবাসীরা ঠিক কী ধরনের বৈষম্য ও আইনি সংকটের মুখোমুখি হন, সেটি বিস্তারিত পর্যালোচনা ও বিশ্লেষণ করার জন্য অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ২৫টি মামলা বেছে নথিভুক্ত করেছে। মামলাগুলো মিসর, ইথিওপিয়া, জর্ডান, পাকিস্তান ও সোমালিয়ার বন্দীদের নিয়ে। মাদক অপরাধে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া যেসব দেশের নাগরিকের নাম সংস্থাটি উল্লেখ করেছে, তার মধ্যেও বাংলাদেশ নেই। এর মানে এই নয় যে বাংলাদেশিরা এই হিসাবের বাইরে। কারণ, ইএসওএইচআরের তালিকায় তাঁদের নাম আছে। বরং সমস্যা তথ্যের অভাব।
ইএসওএইচআর জানিয়েছে, ১০৮টির মধ্যে ৯১টি (৮৪ দশমিক ২ শতাংশ) মামলা সম্পর্কে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে তারা কোনো তথ্য জানতে বা নথিবদ্ধ করতে পারেনি। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের হাতেও গ্রেপ্তার, অভিযোগ বা সাজার সরকারি পরিসংখ্যান নেই। ফলে বাংলাদেশি বন্দীর সংখ্যা, অভিযোগের ধরন, আইনজীবী ও দোভাষীর সুযোগ কিংবা কনস্যুলার সহায়তা নিয়ে কোনো উত্তর নেই।
[ad_2]
Source link