[ad_1]
বরং একই বক্তৃতায় মন্ত্রী জানিয়েছেন, কাজ ও ভ্রমণ ভিসার দ্বিতীয় বছরের জন্য এখন থেকে লটারি হবে, আসন ৪৫ হাজার; গত বছর যোগ্য হয়েছিলেন প্রায় ৫৭ হাজার জন। তৃতীয় বছরের আসন মাত্র ৫ হাজার, যেখানে গত বছর এই দলে ছিলেন প্রায় ৩১ হাজার। অর্থাৎ অস্ট্রেলিয়া দরজা খুলছে না, আরও আঁটসাঁট করছে। যে দেশ নিজের পুরোনো অতিথিদের জায়গাই কমাচ্ছে, সে হঠাৎ নতুন একটি দেশের জন্য খামারের দরজা হাট করে খুলে দেবে, এমন ভাবার কোনো কারণ নেই।
তাহলে অস্ট্রেলিয়ার খামারে বিদেশি শ্রমিক আসেন কীভাবে? এর প্রধান পথ প্রশান্ত মহাসাগরীয় শ্রম চলাচল কর্মসূচি, সংক্ষেপে ‘পাম’। মন্ত্রী বার্ক নিজেই বলেছেন, কৃষির মূল ভিসা এটিই। এই কর্মসূচি খোলা কেবল ৯টি প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপদেশ ও তিমুর-লেস্তের জন্য-ফিজি, কিরিবাতি, নাউরু, পাপুয়া নিউগিনি, সামোয়া, সলোমন দ্বীপপুঞ্জ, টোঙ্গা, টুভালু ও ভানুয়াতু। মৌসুমি কাজে একজন শ্রমিক সর্বোচ্চ ৯ মাস আর দীর্ঘমেয়াদি চুক্তিতে এক থেকে চার বছর থাকতে পারেন। কর্মী বাছাই হয় ওই দেশগুলোর সরকারি শ্রম প্রেরণ দপ্তরের মাধ্যমে।
[ad_2]
Source link