[ad_1]
বে-নজীর আহমদ: এডিস মশা নিয়ন্ত্রণ ঠিকভাবে হচ্ছে না। এর বড় কারণ কীটতাত্ত্বিক সক্ষমতার ঘাটতি। সারা দেশে কীটতত্ত্ববিদ আছেন মাত্র ১০ থেকে ১২ জন। তাঁদের বেশির ভাগই যেখানে মশা নিয়ন্ত্রণের কাজ হচ্ছে, সেখানে নেই। সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার মতো স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে কীটতত্ত্ববিদ, কীটতাত্ত্বিক সহকারী ও টেকনিশিয়ান প্রায় নেই বললেই চলে। এসব জনবল ছাড়া মশা ধরা, লার্ভা শনাক্ত করা এবং মশার ঝুঁকি নিরূপণ করা সম্ভব নয়।
মশা ধরার যন্ত্রপাতি, মাইক্রোস্কোপ এবং মশার মধ্যে ভাইরাস আছে কি না, তা পরীক্ষার জন্য কার্যকর কীটতাত্ত্বিক ল্যাবরেটরিও দরকার। দেশে এ ধরনের কার্যকর ল্যাবরেটরি নেই বললেই চলে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি কার্যকর ল্যাবরেটরি আছে। ঢাকায় আধুনিক ল্যাবরেটরি তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ; সেটি চালু হতে আরও তিন থেকে চার বছর লাগতে পারে।
মশা নিয়ন্ত্রণে যেসব কর্মসূচি নেওয়া হচ্ছে, সেগুলোর অনেকগুলোও কার্যকর নয়। রাস্তা ঝাড়ু দেওয়া বা পাতা কুড়ানোকে এডিস মশা নিয়ন্ত্রণের উপায় হিসেবে দেখানো হচ্ছে। শুধু ফগিং করেও এডিস মশা নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ার মতো দেশে লার্ভিসাইডিং এবং পরিবেশ ব্যবস্থাপনায় গুরুত্ব দেওয়া হয়। ঢাকায় গত ২৬ বছরেও ফগিং সফল হয়নি।
মানুষকে সঠিক বার্তা দিতে হবে। এডিস মশা কৃত্রিমভাবে জমে থাকা পরিষ্কার পানিতে প্রজনন করে। যেখানে পানি জমে আছে, তা সরিয়ে ফেলতে হবে। বড় পাত্র, যেমন চৌবাচ্চা বা পানির ড্রাম সরানো না গেলে সেখানে লার্ভিসাইডিং করতে হবে। সঠিক পদ্ধতি না নিলে জনসম্পৃক্ততাও কার্যকর হবে না।
[ad_2]
Source link