[ad_1]
রাঙামাটির নানিয়ারচর উপজেলা ঘিলাছড়ির কৃষক অনন্ত চাকমা বলেন, ‘রাইখালী কৃষি গবেষণা কেন্দ্রে উদ্ভাবন করা ড্রাগন ফল চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছি। প্রতিবছর তিন থেকে পাঁচ লাখ টাকার ড্রাগন ফল বিক্রি করি। এ ছাড়া বারি শিম, আমসহ বেশ কিছু ফল ও সবজি চাষ করে আসছি। প্রতিবছর ড্রাগন, আমসহ অন্যান্য ফল ও সবজি চাষ করে পাঁচ থেকে সাত লাখ টাকা আয় করা সম্ভব। আমি ছাড়াও আমাদের এলাকায় নতুন উদ্ভাবন করা অন্তত ১০ জন কৃষক নানা ফল ও সবজি চাষ করছেন।’
রাইখালী কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. আলতাফ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘পাহাড়ে ফল ও সবজি চাষে অত্যন্ত অনুকূল পরিবেশ থাকলেও সঠিক গবেষণার অভাবে ভালো ফলন পাচ্ছিল না। মূলত কৃষকেরা যেন লাভবান হন, সঠিক বীজ ও ফলন পান, সেই কাজটা করছি। কারণ, তিন পার্বত্য জেলার মানুষের আয়ের প্রধান উৎস কৃষি। আমরা ১৯ বছরের ২০টি ফল ও সবজি জাতীয় বীজ বোর্ডে নিবন্ধন করতে সক্ষম হয়েছি। বেশ কিছু দেশি-বিদেশির ফল গবেষণার কাজ চলছে। খুব কম সময়ের মধ্যে গবেষণার কাজ শেষ করতে পারব। গবেষণার শেষ পর্যায়ে রয়েছে কফি ও কাজুবাদাম।’
[ad_2]
Source link