[ad_1]
রাজধানীর গেন্ডারিয়ার দয়াগঞ্জ ঘুণ্টিঘর রেলগেট এলাকায় ফের বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১১ জনকে গ্রেপ্তারের তথ্য দিয়েছে পুলিশ।
ঢাকা মহানগর পুলিশ-ডিএমপির অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য দেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এদিন গেন্ডারিয়া থানার রেলস্টেশন সংলগ্ন দয়াগঞ্জ ঘুণ্টিঘর রেলগেট এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে ওই ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন-মো. সুমন (৩৫), মো. আরিফ (৩২), নাসির (৪২), দিলু (২৯), রনি (৩৩), মামুন (২২), মো. পিন্টু (৩৬), সানি (২৩), শাওন (২০), মো. সাজ্জাদ (৩২) ও মাহমুদুর রশিদ (৪৫)।
পুলিশ বলেছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
এর আগে শুক্রবার ঘুণ্টিঘর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২৮ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গেল ১৭ অক্টোবর বিকালে নিজের ফেইসবুক পেইজে গেন্ডারিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানের একাধিক ভিডিও প্রকাশ করেন ইশরাক হোসেন। একটি ভিডিওতে তাকে অস্ত্র হাতে অভিযানে অংশ নিতে দেখা যায়। অন্য একটি ভিডিওতে কয়েকজনকে হাতকড়া পরিয়ে পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে যেতে দেখা যায়।
এরপর বিতর্কের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার ঘোষণা দেন অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার ছেলে ইশরাক।
জাতীয় প্রেসক্লাবে ওই ঘোষণার দিনই সোমবার বিকাল ৩টার দিকে ঘুণ্টিঘর এলাকায় মাদকবিরোধী যৌথ অভিযান চালায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) ঢাকা দক্ষিণ বিভাগ ও এসআরবি-৩।
ছদ্মবেশে থাকা দুই ইউনিটের সদস্যরা অভিযান শুরু করলে সেখানে থাকা লোকজন দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। অনেকে দেয়াল টপকে সটকে পড়েন। এসময় দুই নারীসহ ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের প্রত্যেককে তিন মাসের কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
পুরনো খবর:
[ad_2]
Source link