[ad_1]
গোপালগঞ্জ সদর উপজেলায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের মিছিল থেকে পুলিশ সদস্যদের মারধর ও গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।
এতে সদর থানার এক এসআই ও এক কনস্টেবল আহত হয়েছেন।
শনিবার বিকাল ৩টার দিকে উপজেলার রঘুনাথ ইউনিয়নের পুরাতন খেয়াঘাট এলাকার সেতুর পাশের বাজারে এ ঘটনা ঘটে বলে জানান পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ।
আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন- সদর থানার এসআই ফুলমিয়া ও কনস্টেবল মাহবুবুর রহমান।
পুলিশ সদস্যদের মারধর ও গাড়ি ভাঙচুরের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
ভিডিওতে একদল যুবককে ‘শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে’ স্লোগান দিয়ে মিছিল করতে দেখা যায়। তাদের হাতে হকিস্টিক ও কাঠের লাঠি ছিল।
ভিডিওতে দেখা যায়, বাজারের মোড়ে পুলিশের একটি গাড়ি দাঁড় করানো ছিল। পাশে তিন পুলিশ সদস্য ছিলেন। একপর্যায়ে মিছিলকারীরা গাড়িটি ভাঙচুর শুরু করেন। তখন চালক গাড়ি নিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে তারা গাড়িটির পিছু নিয়ে ভাঙচুর চালান।
পরে কয়েকজন যুবক পুলিশ সদস্যদের মারধর করেন। একপর্যায়ে পুলিশ সদস্যরা দৌড়ে গাড়িতে উঠে চলে যান।
পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ বলেন, সদর থানা-পুলিশের চার সদস্যের একটি দল ওই এলাকায় টহল দিচ্ছিল। তারা খেয়াঘাট এলাকায় গাড়ি থামিয়ে বাজারে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। এ সময় ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতা-কর্মীরা মিছিল নিয়ে এসে পুলিশের গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর করেন। পরে পুলিশ সদস্যদেরও মারধর করেন তারা।
সদর থানার ওসি মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, আহত পুলিশ সদস্যরা গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কাজী হুমায়ুন রশীদ জানান, এ ঘটনায় মামলা করার প্রক্রিয়া চলছে। জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
[ad_2]
Source link