[ad_1]
ডা. শারমিন আব্বাসি জানান, গার্মেন্টসকর্মী, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান—এমন আলাদাভাবে অগ্রাধিকার ও গুরুত্ব দিয়ে এই রোগের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে ইএএসবির তরফ থেকে।
সংস্থাটির সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক ডা. সালেহা বেগম চৌধুরী বলেন, ‘স্কুলপড়ুয়া কিশোরী, তাদের শিক্ষক-শিক্ষিকা, তাদের পরিবার, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীসহ সবার মাঝে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য দীর্ঘ দুই বছর কাজ করে ডায়াগনোসিসের দিক থেকে বেশ এগিয়ে গেছে ইএএসবি। কিশোরী, তরুণী ও ৪০ বছরের কম বয়সী রোগীদের ক্ষেত্রে জটিলতা থাকলেও সার্জারি না করে আগে ওষুধের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা দেওয়া হয়।’
[ad_2]
Source link