[ad_1]
জর্ডানে একটি গির্জায় অন্তষ্ট্যিক্রিয়া চলার সময় বন্দুকধারীদের গুলিতে ছয়জন নিহত হয়েছেন বলে সরকারের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন। শুক্রবার কারাক গভর্নরেটের হামুদ গ্রামের গির্জায় এ হামলায় আরও ২৮ জন আহত হয়েছে।
খবরে বলা হয়েছে, বন্দুকধারীরা একটি গাড়িতে করে এসে গির্জায় প্রবেশ করে এবং পালিয়ে যাওয়ার আগে গুলি চালায়। সরকারের মুখপাত্র আল-মোমানি মোহাম্মদ একে জঘন্য হামলা বলে বর্ণনা করেছেন।
জর্ডানের রাজা দ্বিতীয় আবদুল্লাহ বলেছেন, কর্তৃপক্ষ কারাককে নিশানা করে চালানো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সবচেয়ে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা নেবে।
ডজন ডজন লোক অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার জন্য গির্জার ভেতরে ছিল। তখন গোলাগুলি শুরু হয়। জর্ডানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন আল-মামলাকা কে এমনটাই জানিয়েছেন শোকাহতদের একজন খালেদ বুরকান।
তিনি বলেন, রাইফেল এবং পিস্তল নিয়ে দুই হামলাকারী বেশ কয়েক মিনিট ধরে শোকার্তদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়। বিবিসি-র যাচাই করা সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, তিন বন্দুকধারী রাস্তা থেকে গির্জার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।
হামলাকারীদের মধ্যে দুই জনকে গির্জার প্রাঙ্গণে একটি গাড়ির প্রবেশদ্বারের দিকে যেতে দেখা যায়, এরপর তারা অল্প সময়ের জন্য পিছিয়ে গিয়ে তৃতীয় একজনকে নিয়ে ফিরে আসে। তিনজনের সবার হাতেই হাতবন্দুক ছিল বলে মনে হয়েছে।
হামলার পরের আলাদা একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, মাটিতে কিছু মৃত আর আহত মানুষ পড়ে আছে। হামলার দায় এখন পর্যন্ত কেউ স্বীকার করেনি।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা এই ঘটনার বিষয়ে শিগগিরই একটি সংবাদ ব্রিফিং দেবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। সরকারের মুখপাত্র আল-মোমানি জানিয়েছেন, দেশের প্রধানমন্ত্রী নিরাপত্তা পরিষদের একটি বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন, সেখানে সব মন্ত্রী উপস্থিত থাকবেন।
এক্স - এ এক পোস্টে রাজা দ্বিতীয় আবদুল্লাহ নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে লিখেছেন, কাপুরুষোচিত বা আকস্মিক কোনও হামলা জর্ডানের মানুষের ঐক্য ও মেলবন্ধনকে ভাঙতে পারবে না। তারা ঐক্যবদ্ধভাবে এ ধরনের যে কোনও অপচেষ্টা ব্যর্থ করে দেবে।
মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ জর্ডানের কারাক-এ বড় খ্রিস্টান সম্প্রদায় রয়েছে। এ ধরনের হামলার ঘটনা জর্ডানে বিরল। তবে অতীতে এই দেশে প্রাণঘাতী হামলা হয়েছে।
[ad_2]
Source link