[ad_1]
বুরহান আরও বলেন, এগুলো গুহাচিত্রের ওপর কালির স্তর তৈরি করে সেগুলোকে ঢেকে দেয়। ফলে চিত্রগুলো ঘোলাটে হয়ে যাবে এবং সেগুলো চেনা কঠিন হয়ে পড়বে।
ইকফার বলেন, বৃহস্পতি ও শুক্রবার পার্কের অন্যান্য অংশে আগুন নেভানোর কাজ করছিলেন অগ্নিনির্বাপণকর্মীরা। তিনি আরও বলেন, আবহাওয়া বেশ শুষ্ক এবং এখন পর্যন্ত কোনো বৃষ্টি হয়নি।
বুরহান বলেন, ‘আমরা দ্রুত এ বিষয়ে কিছু না করলে, এ ঘটনার প্রভাব কমাতে কৌশলগত কোনো ব্যবস্থা নেওয়া না হলে মারোস-পাংকেপে থাকা মানব ইতিহাসের অন্যতম বিস্ময়কর প্রমাণটি আমরা হারাব।’ তিনি আরও বলেন, আর সেটি হবে সবচেয়ে লজ্জার বিষয়।
[ad_2]
Source link