[ad_1]
ইরানে সৌদি আরব নিজেদের লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে। এখন আরব দেশটি নিজেই পরবর্তী লক্ষ্যবস্তু হতে পারে। ইয়েমেনের হুতিদের বিরুদ্ধে সৌদি যুবরাজের পাশে দাঁড়াতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও পশ্চিমা শক্তিগুলোর অনীহা এই আশঙ্কাকে আরও জোরালো করেছে।
ক্ষমতায় আসার পর যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান সৌদি আরবের জন্য যতটা সুফল বয়ে এনেছেন, তার চেয়ে বেশি ক্ষতি করেছেন বলে মনে করেন সমালোচকেরা। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, তিনি দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেননি। অথচ তাঁর শাসনামলে সৌদি আরবের শত্রুর সংখ্যা বেড়েছে।
সৌদি আরব বছরে প্রতিরক্ষা খাতে প্রায় ৮ হাজার ৩০০ কোটি ডলার ব্যয় করে। দেশটির মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় ৬ দশমিক ৫ শতাংশ এই খাতে খরচ হয়। বিশ্বব্যাপী সামরিক ব্যয়ের প্রায় ৩ শতাংশই সৌদি আরবের।
গত ১০ অক্টোবর রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা দেশটির নিরাপত্তাব্যবস্থার দুর্বলতা স্পষ্ট করে দিয়েছে। ওই হামলায় অন্তত ১৩ জন নিহত হন। আন্তর্জাতিক ভ্রমণকারীদের জন্যও সৌদি আরবকে অনিরাপদ করে তুলেছে এ ধরনের হামলা।
২০১৫ সালে মোহাম্মদ বিন সালমান যখন প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন, তখন দেশটির প্রতিরক্ষা ব্যয় জিডিপির ১৩ শতাংশ পর্যন্ত উঠেছিল। ওই বছর সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) সঙ্গে সমন্বয় করে তিনি ইয়েমেনে সামরিক অভিযান শুরু করেন। সেই সংঘাত আট বছর ধরে চলে। সৌদি নেতৃত্বাধীন বোমা হামলা ও অবরোধের কারণে ইয়েমেনে খাদ্য ও ওষুধের সংকট দেখা দেয়। এতে প্রায় সাত লাখ ইয়েমেনির মৃত্যু হয়।
[ad_2]
Source link