[ad_1]
মিতালি দাস বলেন, ২০১৯ সালে সিসার সংস্পর্শে আসার কারণে বাংলাদেশে স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্ট অর্থনৈতিক ক্ষতি আনুমানিক ২ হাজার ৮৬০ কোটি মার্কিন ডলার ছিল, যা জিডিপির ৬ থেকে ৯ শতাংশের সমান।
পরিবেশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মুহাম্মদ সোলায়মান হায়দার জানান, লেড-অ্যাসিড ব্যাটারি শিল্পে পরিদর্শন, দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও পরিবেশগত বিধিবিধান মানা নিশ্চিত করতে মানসম্মত কার্যপদ্ধতি তৈরি করা হচ্ছে। মাটিতে সিসার গ্রহণযোগ্য মাত্রা নির্ধারণেও কারিগরি দল গঠন করা হয়েছে।
রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক কাজী আহমেদ জাকি বলেন, সিসার সংস্পর্শে আসার ঘটনা শনাক্ত এবং ক্ষতি প্রতিরোধে জনস্বাস্থ্য কার্যক্রম জোরদার করা প্রয়োজন। উপসর্গ প্রকাশের আগেই সিসা শরীরের ক্ষতি করতে পারে।
[ad_2]
Source link