[ad_1]
কখনো কখনো কড়া শাসনে শিশুরা বিগড়ে যায়। তাই ‘ওটা কোরো না’ বা ‘দুষ্টুমি বন্ধ করো’—এসব বলার পরিবর্তে শিৎসুকে এ পরিস্থিতিতে সন্তানের কোন দক্ষতা আয়ত্তের প্রয়োজন, সেটা খুঁজে বের করতে শেখায়। যেমন ধরুন, সন্তান কোনো কিছু পাওয়ার জন্য প্রচণ্ড জেদ বা কান্নাকাটি করছে; তার মানে হতাশাকে কীভাবে সামলাতে হয়, সে বুঝতে পারছে না। এ পরিস্থিতিতে তাকে বলতে পারেন, দেখি তুমি কান্না থামিয়ে শান্ত হতে পারো কি না।
আবার হয়তো ভাগাভাগি করে একই খেলনা নিয়ে খেলতে গিয়ে গন্ডগোল বাধিয়ে ফেলছে। কারণ, সে শেখেনি কীভাবে অপেক্ষা করতে হয়। তখন তাকে বুঝিয়ে বলুন, তোমার পালা এলে তুমিও খেলতে পারবে। সে পর্যন্ত একটু অপেক্ষা করো। এভাবেই বকা না দিয়ে ইতিবাচক কথার মাধ্যমে শিশুদের এই দক্ষতাগুলো শেখানোর চেষ্টা করুন।
এই পদ্ধতির মূল বিশেষত্ব হলো, এটি ভুলত্রুটিকে কেবল ভুল হিসেবে না দেখে সেগুলোকে শিক্ষণীয় অভিজ্ঞতায় রূপান্তর করে। কারণ, আপনি যখন কোনো অবাঞ্ছিত আচরণের জন্য শাস্তি না দিয়ে বরং অনুপস্থিত দক্ষতাটি সক্রিয়ভাবে শেখাতে শুরু করেন, তখনই তার মধ্যে প্রকৃত ও দীর্ঘস্থায়ী বাধ্যতা গড়ে ওঠে। কারণ, তখন আপনার সন্তান শিখে যায় কোন পরিস্থিতিতে কোন আচরণ করতে হবে।
[ad_2]
Source link