[ad_1]
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে জাল শিক্ষাগত সনদ, নম্বরপত্র ও অন্যান্য একাডেমিক নথি বিক্রির সঙ্গে জড়িত চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে অ্যাসোসিয়েশন অব প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিজ অব বাংলাদেশ (এপিইউবি)।
রোববার সংগঠনটির পরিচালক বেলাল আহমেদের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের পরিপ্রেক্ষিতে এপিইউবি মনে করে, শিক্ষাগত সনদ জালিয়াতি শুধু আইনবিরোধী অপরাধ নয়; এটি দেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতা, মেধাভিত্তিক নিয়োগপ্রক্রিয়া এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের শিক্ষাগত যোগ্যতার গ্রহণযোগ্যতার জন্যও গুরুতর হুমকি।”
সংগঠনটি বলছে, সংঘবদ্ধ জাল সনদ ব্যবসায়ীদের কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে বৈধ ও অনুমোদিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ওপর।
“এর ফলে প্রকৃত শিক্ষাগত যোগ্যতা অর্জনকারী শিক্ষার্থীরাও নিয়োগকর্তাদের সন্দেহের মুখে পড়তে পারেন। একই সঙ্গে দেশি-বিদেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও নিয়োগকারী সংস্থার কাছে বাংলাদেশের শিক্ষাগত সনদের যথার্থতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হতে পারে।”
এ পরিস্থিতিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কার্যকর উদ্যোগে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি), অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থার মাধ্যমে জাল সনদ প্রস্তুতকারী, সরবরাহকারী, মধ্যস্থতাকারী এবং বিক্রয় নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা তথ্যভিত্তিক অভিযান জোরদারের আহ্বান জানিয়েছে এপিইউবি।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাল সনদ বিক্রিতে ব্যবহৃত ওয়েবসাইট, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, অনলাইন বিজ্ঞাপন, ভুয়া যাচাইকরণ পোর্টাল ও ডিজিটাল লেনদেনের বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে সাইবার অপরাধ দমনকারী সংস্থাগুলোর কার্যকর ভূমিকা নিশ্চিত করতে হবে।
নিরপেক্ষ তদন্তে কোনো বিশ্ববিদ্যালয় বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী কিংবা প্রযুক্তিগত সহায়তাকারীর সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধেও যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে এপিইউবি।
সংঘবদ্ধ জালিয়াতি প্রতিরোধে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি), বিশ্ববিদ্যালয় এবং সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে কার্যকর সমন্বয়ব্যবস্থা গড়ে তোলারও আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও আইন প্রয়োগকারী প্রতিষ্ঠানকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এপিইউবি।
সংগঠনটি বলছে, “শিক্ষাগত সনদের বিশ্বাসযোগ্যতা রক্ষা শুধু বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর স্বার্থের বিষয় নয়, এটি জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থার মান এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি সুরক্ষার সঙ্গেও সরাসরি সম্পৃক্ত।”
[ad_2]
Source link