[ad_1]
তোফাজ্জল ইসলাম বলেন, ‘আমরা ছত্রাকটির স্বাতন্ত্র্য বৈশিষ্ট্য, জীবাণুর উৎপত্তিস্থল এবং রোগ ব্যবস্থাপনার পন্থা উদ্ভাবনে অনেক দূর এগিয়েছি। এর মধ্য দিয়ে আমরা বাংলাদেশে গমের শত্রুটি সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করেছি, এখন সারা পৃথিবীর গম বিজ্ঞানীদের আহ্বান জানিয়েছি, তাঁরা যাতে এই শত্রুকে দমনের জন্য আমাদের এই গবেষণার লড়াইয়ে যোগ দেন। এ জন্য ওয়েবসাইটটি উন্মুক্ত করা হয়েছে।’
যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংস্থা দ্য বায়োটেকনোলজিক্যাল সায়েন্স রিসার্চ কাউন্সিলের সহায়তায় এই গবেষণায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, দ্য সেইনসবারি ল্যাবরেটরি, দ্য জেনোমিক এনালাইসিস সেন্টার ও জন ইনেস সেন্টারের বিজ্ঞানীরা যুক্ত ছিলেন।
গত ফেব্রুয়ারিতে দেশের সাতটি জেলায় গমের ব্লাস্ট রোগ ছড়িয়ে পড়ে। এই রোগে আক্রান্ত গমের দানা পরিণত হওয়ার আগেই সাদা হয়ে নষ্ট হয়ে যায়। ফলে ফসলের প্রায় ৯০ শতাংশই নষ্ট হয়ে যায়। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে এই রোগে আক্রান্ত হওয়া গমের খেত পুড়িয়ে দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। বারির হিসেবে দেশের অন্যতম গম উৎপাদনকারী এলাকা মেহেরপুর, ঝিনাইদহ, যশোর, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, বরিশাল ও ভোলার প্রায় ১৫ হাজার হেক্টর জমির গম মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই রোগের কারণে এবার দেশে ২০ শতাংশ গম কম উৎপাদিত হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এ ব্যাপারে সরকারের গম গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা পরিতোষ মালাকার প্রথম আলোকে বলেন, ‘বাংলাদেশে এর আগে ছত্রাকটির আক্রমণ না হওয়ায় শুরুতে আমরা বিষয়টি বুঝতেই পারিনি। পরে আন্তর্জাতিক গম ও ভুট্টা গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিমিটসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সহায়তায় আমরা এই নতুন রোগটি নিয়ে গবেষণা শুরু করি। কেউ যদি এর জিনগত বৈশিষ্ট্য উন্মোচন করে থাকেন, তাহলে তা আমাদের এই রোগটিকে দমন করার কাজে লাগবে।’
সাধারণভাবে ব্লাস্ট ছত্রাক ধানসহ ৫০ প্রকারের ঘাসজাতীয় উদ্ভিদকে আক্রমণ করে থাকে। মাঝেমধ্যে ছত্রাকটি কোনো একটি ফসল থেকে অন্য ফসলে স্থানান্তরিত হয়ে রোগ সৃষ্টি করে।
[ad_2]
Source link