[ad_1]
নেত্রকোণার মদন উপজেলায় ১১ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের পর অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনায় গ্রেপ্তার মাদ্রাসাশিক্ষক আমানুল্লাহ মাহমুদী সাগরকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।
আজ বুধবার সন্ধ্যায় নেত্রকোণা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এ আদেশ দেন।
মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম দ্য ডেইলি স্টারকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে, ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর থেকে র্যাব-১৪ তাকে গ্রেপ্তার করে মদন থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।
ওসি বলেন, 'আমরা আসামির ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছিলাম। তবে আজ রিমান্ড শুনানি হয়নি।'
গত ২৩ এপ্রিল সাগরসহ দুজনের বিরুদ্ধে মদন থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন ওই শিশুর মা।
এজাহার অনুযায়ী, গত বছরের ২ অক্টোবর বিকেলে ক্লাস শেষ হওয়ার পর সাগর ওই শিশুকে মাদ্রাসা সংলগ্ন মসজিদে ঝাড়ু দিতে বলেন। ততক্ষণে অন্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা বাড়িতে চলে যায়। সাগর ওই শিশুকে তার কক্ষ পরিষ্কার করতে বলেন। শিশুটি কক্ষে ঢুকলে তিনি তাকে ধর্ষণ করেন।
এজাহারে আরও বলা হয়, শিশুটি চিৎকার করলে সাগর তাকে মারধর ও মাদ্রাসা থেকে বের করে দেওয়ার হুমকি দেন। এরপর মসজিদের বারান্দা সংলগ্ন একটি কক্ষে ও শ্রেণিকক্ষে ওই শিশুকে আরও কয়েকবার ধর্ষণ করা হয়।
গত ১৮ এপ্রিল শিশুটির মা হঠাৎ করে তার শারীরিক পরিবর্তন দেখে তাকে স্থানীয় একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক জানান শিশুটি অন্তঃসত্ত্বা।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও মদন থানার উপপরিদর্শক আক্তারুজ্জামান বলেন, 'শিশুর শারীরিক পরীক্ষার পর পরিবার ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। পুলিশ আবার পরীক্ষা করে বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছি।'
[ad_2]
Source link