[ad_1]
ন্যাশনাল ব্যাংকের দিলকুশার শাখা ব্যবস্থাপক মঈনুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ১১ অক্টোবর যাঁরা টাকা তোলার আবেদন করেছেন, তাঁদের চাহিদা অনুযায়ী টাকা ফেরত দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি অন্য গ্রাহকদেরও টাকা দেওয়া হচ্ছে। তিনি জানান, এই শাখায় মোট ৩৩ জন গ্রাহক প্রথম দিনে ১ কোটি টাকার বেশি আমানত ফেরত চেয়ে আবেদন করেছেন।
শাখার একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সকাল ১০টায় লেনদেন শুরুর পর প্রথম ঘণ্টায় মোট ৪০ জন গ্রাহককে ৩২ লাখ টাকার মতো ফেরত দেওয়া হয়েছে। টাকা তোলার পাশাপাশি টাকা জমাও নেওয়া হচ্ছে এই শাখায়। অনেক গ্রাহক আজ টাকাও জমা দিয়েছেন।
ন্যাশনাল ব্যাংকের দিলকুশা শাখার সঞ্চয়পত্রের গ্রাহক শেখর ঘোষ। স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে আজ এসেছিলেন সঞ্চয়পত্রের টাকা তুলতে। এর আগে ১১ অক্টোবর তিনি চাহিদা অনুযায়ী টাকা তোলার জন্য এই শাখায় আবেদন করেছিলেন।
টাকা তোলার পর শেখর ঘোষের সঙ্গে কথা হয় প্রথম আলোর। তিনি বলেন, দুই বছর ধরে সঞ্চয়পত্রের টাকা তুলতে বেশ ভোগান্তি সহ্য করতে হয়েছে। চাহিদা অনুযায়ী টাকা পাওয়া যায়নি। আজ চাহিদামতো সঞ্চয়পত্রের মুনাফার টাকা তুলতে পেরে তিনি বেশ আনন্দিত।
শেখর ঘোষ আরও বলেন, ‘আমি ব্যাংকের দিলকুশা শাখার পুরোনো গ্রাহক। এই শাখায় আমার হিসাব থেকে সব টাকা তুলিনি। ব্যাংক গ্রাহকদের টাকা ফেরত দেওয়া শুরু করছে শুনে ১১ অক্টোবর আবেদন করেছিলাম। যেটুকু আমার এখন প্রয়োজন, সেটুকুই তুলেছি। আশা করছি, ভবিষ্যতেও টাকা তুলতে সমস্যা হবে না। গ্রাহকেরা যেন টাকা থাকার পরও টাকা তুলতে গিয়ে ভোগান্তিতে না পড়েন, সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে সেটাই আমার চাওয়া।’
[ad_2]
Source link