[ad_1]
পুরোনো দিল্লির রামলীলা ময়দান, যা যন্তর মন্তর থেকে অন্তত চার কিলোমিটার দূরে। দ্বিতীয় স্থান পূর্ব দিল্লির সেন্ট্রাল বিজনেস ডিস্ট্রিক্ট (সিবিডি) ময়দান। এটি সেন্ট্রাল দিল্লিতে অবস্থিত যন্তর মন্তর থেকে ১২ কিলোমিটার দূরে। তৃতীয় এলাকা উত্তর দিল্লির বুরারি মাঠ। এই জায়গাটার দূরত্ব যন্তর মন্তর থেকে ২২ কিলোমিটার।
দিল্লির পুলিশ কমিশনার জানিয়েছেন, ওই তিন জায়গার কোথাও বিক্ষোভ দেখাতে গেলে পুলিশের কাছ থেকে কীভাবে অনুমতি নিতে হবে, কত দিন আগে পুলিশকে জানাতে হবে, কী কী করতে হবে, সে সম্পর্কে পরে নির্দেশিকা জারি করা হবে।
দিল্লি পুলিশের নির্দেশিকায় ১১ অক্টোবর তারিখ রয়েছে। যদিও আজ সোমবার দুপুরের আগে তা প্রকাশ্যে আসেনি। আজ বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতা আশুতোষ রাঙ্কা, সৌরভ দাস ও রত্না সিং পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় যান নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ বিক্ষোভ আয়োজনের অনুমতি চাইতে।
পুলিশকে সিজেপির নেতারা বলেন, কোথায় সেই অনুমতি দেওয়া হবে তা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জানিয়ে দিতে। এর পরেই দিল্লি পুলিশের ওই নির্দেশিকা প্রকাশ্যে আসে।
এরপরেই সিজেপি নেতা অভিজিৎ দিপকে ‘এক্স’ মারফত জানান, ভিতু একনায়কের কারণে যন্তর মন্তর যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়েছিল। এবার পুরো দেশ যন্তর মন্তর হয়ে উঠবে।
[ad_2]
Source link