[ad_1]
আলমগীর কবির: না, যখন ও স্টার হলো, তার আগে...যেটা বলছিলেন, ডেব্যু ম্যাচে এতটা রান দিয়েছে, এত কিছু, সিলেটে, হ্যাঁ। আমি তখন প্রাইম ব্যাংকের, মানে প্রিমিয়ার লিগ খেলা চলছে, ওখানে আমি হোটেলে বসে খেলা দেখছি আর চিন্তা করছি, ঠিক আছে, ও রান দিচ্ছে বা যেখানেই বল ফেলছে, এই বলটা কিন্তু ভালো করছে। ও ভালোটা কোন ক্ষেত্রে? ও যে লেংথে বল করছে, এটা জাতীয় লিগের খেলার লেংথ। ওখানে ব্যাটসম্যান তো অনেক সুপিরিয়র ব্যাটসম্যান। কারণ, ও ফার্স্ট ক্লাসে পারফর্ম করে এই জায়গায় এসেছে। তো পারফর্ম করেছে কোথায়? ন্যাশনাল লিগে। মানে ন্যাশনাল লিগে লোকাল ক্রিকেট প্লেয়ারদের বিপক্ষে যে জায়গায় লেংথ ঠিক, ও ওই লেংথেই বোলিং করছে। ও ওর জায়গায় ঠিক আছে। অনেকে অনেক কথা বলেছে। খেলা শেষে অনেকে কল করেছে, হয়তো সাংবাদিক কল করেছে, কেন এ রকম, কী কী ঠিক করতে হবে ওকে, আস্তে বল করে ঠিক করতে বলেন, এই করেন। শুধু অ্যাডভাইসই শুনি, ওরা আমাকে উল্টা অ্যাডভাইস দেয়। আমি বলি, ঠিক আছে ভাইজান, আপনারা বললেন, আমি চেষ্টা করব। কিন্তু ওর সঙ্গে যখনই কথা হতো, জোরের বিকল্প নেই। জোর থাকবে, এরপর জায়গা বলবে, কোনো সমস্যা নেই।
ওর সঙ্গে যখন কথা হয়েছে, গুড, ভালো বল হয়েছে, কিন্তু ন্যাশনাল লিগের একটা প্রভাব ওই জায়গায় আছে, নো প্রবলেম, খেলতে থাকবি, নিজে শিখে যাবি, লেংথটা কী হবে। তাই করে গেছে ও। কিন্তু আমি ওকে কখনো নেগেটিভ কথা বলিনি। আমি সবকিছু ওর খেলা দেখি, যতটুকু পরে দেখি, আগে দেখি, সব সময় আমার কাছে পজিটিভ মনে হয়েছে জিনিসগুলো। যে ও যখন বুঝতে শিখবে, লেংথ কোন জায়গায়, নিজে নিজেই বুঝে নেবে। ওটা হারাবে না। কারণ, ওকে শিখতে হবে, যে যা-ই বলুক না কেন। তারপর যখন পাকিস্তানে গেল চ্যাম্পিয়নস ট্রফি খেলতে, আপনারা সবাই জানেন, যখন থেকে ওই হিরো বা স্টার হওয়া শুরু হলো, আমি বুঝেছি, না, ও এখন বুঝে শিখে গেছে। এখন আর শেখানো লাগবে না। কখনো আঙুল ধরে হয়তো রাস্তা পার করেছি নিজের ছেলেমেয়েকে, তারপর যখন বুঝে গেছে, ও নিজে হাটবাজার করতে পারে, এর মানে আমি রিল্যাক্সড, ঘুমাচ্ছি একসময়। ও জানে, কীভাবে পার হতে হবে সব জায়গায়। যখন হাত ধরে নিয়ে গেছি, তারপর পজিটিভ কথা হতো, এখনো পজিটিভ কথা হয়। আমি জানি, ও জানে কাজটা কী করতে হবে। ওই জিনিসটা খুব তাড়াতাড়ি অ্যাচিভ করেছে বলেই হয়তো আজকে সেই রান-আপ থেকে ও নাহিদ রানা হয়ে গেছে।
[ad_2]
Source link