[ad_1]
গবেষণার সুবিধার্থে সুন্দরবনকে ৫৩টি কম্পার্টমেন্টে ভাগ করা হয়েছে। এসব কম্পার্টমেন্টের মধ্যে আগামরা রোগে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে খুলনা রেঞ্জের পাটকোস্টাম, কাগা দোবেকি ও গেওয়াখালী এলাকায়। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আক্রান্ত এলাকা হলো সাতক্ষীরা রেঞ্জের দোবেকি, চান্দপাই রেঞ্জের হারবাড়িয়া, চড়াপুটিয়া এবং শরণখোলা রেঞ্জের কোকিলমনি।
১৯৮৮ সালের জানুয়ারিতে ব্রিটিশ উদ্ভিদবিজ্ঞানী ও ইউনিভার্সিটি অব এবারডনের অধ্যাপক এরিক বোয়া ‘সিম্পটম অ্যান্ড কজেস অব টপ ডায়িং’ শীর্ষক একটি গবেষণা করেন। সেই গবেষণায় লবণাক্ততা বৃদ্ধিকে দায়ী করা হয়েছিল।
অধ্যাপক স্বপন কুমারের মতে, লবণাক্ততা বেশি এমন অঞ্চলে রোগ বেশি ছড়ালেও এটি এখনো বৈজ্ঞানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত নয় যে লবণাক্ততাই এককভাবে দায়ী। এখানে দীর্ঘ মেয়াদে আরও গবেষণার প্রয়োজন আছে।
সুন্দরবনে প্রতি হেক্টরে চারার ঘনত্ব কমছে। গবেষণা বলছে, ১৯৮৬ সালে সুন্দরবনের প্রতি হেক্টরে চারার ঘনত্ব ছিল ২ হাজার ৬৮৯টি। ২০২২ সালে সেটি কমে এসে দাঁড়িয়েছে ৭৭৬টিতে। ৩৬ বছরে চারার ঘনত্ব কমেছে প্রায় ৭১ শতাংশ। এতে সুন্দরবন প্রাকৃতিক পুনর্জন্মের সক্ষমতা হারাচ্ছে। গত তিন দশকে সুন্দরবনের ভূ-উপরিস্থ বায়োমাস (জৈবভর) কমেছে ১৫ শতাংশ।
জানতে চাইলে বন অধিদপ্তরের প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, স্বাধীনতার আগে-পরে মিলিয়ে এটি সুন্দরবনের প্রথম বেজলাইন স্টাডি (ভিত্তিমূলক সমীক্ষা)। টপ-ডায়িং সুন্দরবনের শতাব্দীপ্রাচীন সমস্যা। এ সমস্যা মোকাবিলায় আশি ও নব্বইয়ের দশকের শুরুতে বাংলাদেশ ফরেস্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) আক্রান্ত গাছগুলো চিহ্নিত করে কেটে ফেলত। ধারণা করা হতো, সুস্থ গাছে এ রোগ আর ছড়াবে না। সে পদ্ধতি কাজে না আসায় পরে তা বন্ধ করে দেওয়া হয়।
[ad_2]
Source link