[ad_1]
কয়েকটি প্রতিযোগিতায় ভালো ফলের সুবাদে কিছু ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান এসব শিক্ষার্থীর সঙ্গে যোগাযোগ করে। বন্দর ও সাগরে গবেষণাকাজের প্রস্তাব দেয়। তবে নৌদুর্ঘটনায় উদ্ধার অভিযানের সমস্যাগুলো দলটিকে বেশি উদ্বুদ্ধ করে। কারণ, প্রথাগত উপায়ে ডুবুরি দিয়ে নৌকাডুবি, লঞ্চডুবির উদ্ধারকাজে অনেক বেগ পেতে হতো।
ব্র্যাকইউ ডুবুরিরা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্রকল্পে থেমে না থেকে বড় পরিসরে একটা কোম্পানি বা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান গড়ার চিন্তা করতে থাকেন। ২০২৩–এর শেষের দিকে রোবোসাবে (পানির তলে স্বয়ংক্রিয় রোবটের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা) দ্বিতীয় হন তাঁরা। সফটওয়্যারকেন্দ্রিক প্রযুক্তির জন্য মেলে সেরা উদ্ভাবক দলের স্বীকৃতি।
এরপর সেন্ট মার্টিন, কাপ্তাইয়ে পরীক্ষামূলকভাবে ডুবোটেকের রোবট কাজ করতে শুরু করে। সরাসরি অর্ডার নেওয়ার মাধ্যমে শুরু হয় কোম্পানির যাত্রা।
বর্তমানে পানির নিচের উদ্ধার অভিযান, জাহাজের নিচের অংশের কাঠামো ও জাহাজের অবস্থা পরিদর্শন (ইন্সপেকশন), পানির নিচে সামুদ্রিক ও জীবতাত্ত্বিক সংরক্ষণ ইত্যাদি কাজ চলমান। সমুদ্রে প্লাস্টিকের পরিমাণ নির্ধারণ, প্রবাল বা মাছের জীবনযাত্রায় জাহাজ বা কোনো প্রযুক্তি প্রভাব ফেলছে কি না, এসব নিয়ে কাজ করা দলগুলোকেও সাহায্য করে ডুবোটেক।
সায়ন্তন রায় বলেন, ‘যেহেতু এটা ডিপ টেক ও আমরা অত্যাধুনিক প্রযুক্তিপণ্য নিয়ে কাজ করি, তাই তুলনামূলকভাবে প্রতিযোগিতা কম। এই খাতে বিশ্বের বড় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমরা কাজ করছি।’
[ad_2]
Source link