[ad_1]
এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সামাজিক সুরক্ষার ঘাটতিও বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। উপস্থাপিত হিসাব অনুযায়ী, এ অঞ্চলের আনুমানিক ৪৬ দশমিক ৪ শতাংশ মানুষ, অর্থাৎ প্রায় ২১০ কোটি, কোনো ধরনের সামাজিক সুরক্ষা সুবিধার আওতায় নেই।
এ অঞ্চলের ৩৭টি অর্থনীতিতে মোট দেশজ উৎপাদনের তুলনায় গড় কর-রাজস্বের অনুপাত ১৯ দশমিক ৬ শতাংশ। অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থার (ওইসিডি) সদস্যদেশগুলোতে এ হার ৩৩ দশমিক ৯ শতাংশ।
অক্সফামের নীতিপত্রে প্রাক্কলন করা হয়েছে, এশিয়ার সবচেয়ে ধনী ব্যক্তিদের সম্পদের ওপর বছরে ২ থেকে ৫ শতাংশ হারে কর আরোপ করা হলে ৭৯ হাজার ২০০ কোটি মার্কিন ডলার পর্যন্ত রাজস্ব আদায় সম্ভব হতে পারে। এ অর্থ শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক সুরক্ষা ও অন্যান্য সরকারি সেবা সম্প্রসারণে অতিরিক্ত অর্থ জোগাতে পারে।
জলবায়ু পরিবর্তন ও ডিজিটাল বৈষম্যও সম্মেলনে আলোচনায় আসে। উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে জলবায়ুজনিত দুর্যোগে এশিয়ার আনুমানিক ৬ হাজার ৫০০ কোটি মার্কিন ডলারের ক্ষতি হয়েছে। অন্যদিকে দক্ষিণ এশিয়ায় ৩৩ কোটি নারী মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ থেকে বঞ্চিত রয়েছেন।
নারীদের অবৈতনিক পরিচর্যা ও গৃহস্থালি কাজের অর্থনৈতিক গুরুত্বও তুলে ধরা হয়। সম্মেলনে উপস্থাপিত তথ্যে আরও বলা হয়, নারীদের ওপর অসমভাবে চাপিয়ে দেওয়া এ ধরনের কাজের বোঝা কমানো গেলে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক সুফল সৃষ্টি হতে পারে।
[ad_2]
Source link