[ad_1]
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জমা হয়নি।
বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত প্রতিবেদনটি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম।
তিনি বলেন, “আমরা তদন্ত প্রতিবেদনের জন্য অপেক্ষা করছি। শুনেছি প্রতিবেদনটি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আমরা সর্বক্ষণ যোগাযোগ রাখছি। তবে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা হতে মধ্যরাত বা শেষ রাত হতে পারে।
“যদি মধ্যরাত পেরিয়ে যায়, তাহলে আগামীকাল প্রতিবেদনের সুপারিশ প্রকাশ করা হবে। এরপর অফিস খুলে তদন্ত প্রতিবেদনের সুপারিশ ঘোষণা করব।”
এর আগে রোববার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হলের সামনে সাংবাদিকদের ওপর ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের হামলার অভিযোগ ওঠে। এতে চার সাংবাদিকসহ অন্তত ১০ জন আহত হন।
আহতরা হলেন- বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি আরিফ উজ জামান কোরবান, আগামীর সময়ের প্রতিনিধি জাহিদুল ইসলাম, দ্য ডেইলি স্টারের প্রতিনিধি নূর আহসান মৃদুল এবং দৈনিক সমকালের প্রতিনিধি মাঈনুল ইসলাম রাজু।
হামলার পর জড়িতদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বাদী হয়ে মামলা এবং দোষীদের শাস্তির দাবি জানান সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীরা।
ঘটনার পরদিন হামলায় জড়িতদের বিচারের দাবিতে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন করেন। একই দিন প্রশাসন অজ্ঞাত পরিচয়দের আসামি করে মামলা করলে সন্ধ্যা থেকে ক্যাম্পাসে প্রশাসন ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন সাংবাদিক ও বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা।
আন্দোলনকারীদের দাবি ছিল, হামলায় জড়িতদের চিহ্নিত করে তাদের নামে মামলা করা। সেইসঙ্গে জরুরি সিন্ডিকেট সভা করে জড়িতদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার এবং যাদের পড়াশোনা শেষ হয়েছে, তাদের সনদ বাতিলের দাবি জানানো হয়।
পরে রাত ২টার দিকে উপাচার্য আন্দোলনকারীদের এসব দাবির সঙ্গে একমত পোষণ করেন। একই ঘটনায় সিসিটিভি ভিডিও মুছে দেওয়ার অভিযোগে শহীদ জিয়াউর রহমান হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মাহবুবুর রহমানকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। সেইসঙ্গে তদন্ত কমিটিকে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময়সীমাও বেঁধে দেন উপাচার্য।
সে অনুযায়ী এদিন সন্ধ্যার মধ্যে প্রশাসনের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা ছিল। প্রতিবেদন জমা হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে জরুরি সিন্ডিকেট সভা করার কথাও বলেছিল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
তবে নির্ধারিত সময় পার হলেও প্রতিবেদন জমা না হওয়ায় সিন্ডিকেট সভা নিয়েও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক রেজাউল করিম-২ বলেন, “প্রতিবেদনের ড্রাফট সংশোধন এবং এর সঙ্গে কিছু সংযুক্তির কাজ চলছে। আশা করছি, রাতের মধ্যেই প্রতিবেদন জমা দিতে পারব।”
[ad_2]
Source link