[ad_1]
যুদ্ধ গাজার ভৌগোলিক চিত্রও বদলে দিয়েছে। ইসরায়েলি সামরিক নিয়ন্ত্রণ ও চলাচলে বিধিনিষেধ গাজাকে বিভিন্ন অংশে বিভক্ত করেছে।
ফিলিস্তিনিদের ক্রমে আরও ছোট একটি এলাকার মধ্যে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে নিজেদের বাড়িঘর, কৃষিজমি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন তাঁরা।
তথাকথিত ‘ইয়েলো লাইন’ (গাজার ভেতরে ইসরায়েলি সেনা মোতায়েন ও প্রবেশে বিধিনিষেধ থাকা এলাকা চিহ্নিতকারী সামরিক সীমারেখা) এই পরিবর্তনের একটি অংশ।
২০২৫ সালের অক্টোবরের ‘যুদ্ধবিরতির’ আওতায় এই সীমারেখা তৈরি করা হয়েছে। এরপর ইসরায়েল এটি আরও ভেতরের জনবসতিপূর্ণ এলাকায় সরিয়ে নিয়েছে। এ কারণে পরিবারগুলোকে নিজেদের এলাকা ছাড়তে হয়েছে।
ইউরো-মেড হিউম্যান রাইটস মনিটর গত সেপ্টেম্বরে জানিয়েছে, ইসরায়েলি সামরিক নিয়ন্ত্রণ ও প্রবেশে বিধিনিষেধ গাজার প্রায় ৭০ শতাংশ এলাকায় বিস্তৃত হয়েছে। ফলে ২০ লাখের বেশি ফিলিস্তিনি গাজা উপত্যকার ৩০ শতাংশেরও কম এলাকার মধ্যে কেন্দ্রীভূত হয়ে পড়েছেন।
এই পরিবর্তনের সবচেয়ে স্পষ্ট উদাহরণগুলোর একটি রাফা শহর। গাজার দক্ষিণে মিসরের সীমান্তবর্তী এই শহর যুদ্ধের সময় গাজার বিভিন্ন এলাকা থেকে বাস্তুচ্যুত ১০ লাখের বেশি ফিলিস্তিনির আশ্রয়স্থল হয়ে উঠেছিল।
জাতিসংঘের হিসাবে, ২০২৪ সালের মে মাসে রাফায় ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের কারণে আট লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হন।
বর্তমানে পশ্চিমের আল-মাওয়াসি রাফাহ এলাকা ছাড়া রাফার প্রায় পুরোটাই ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে। ফলে শহরটি থেকে বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিরা নিজেদের বাড়িতে ফিরতে পারছেন না।
ইউরো-মেড গত ২৯ সেপ্টেম্বর সতর্ক করে বলেছে, ইসরায়েল-নিয়ন্ত্রিত এলাকার বিস্তার জোর করে বাস্তুচ্যুতিকে স্থায়ী রূপ দিচ্ছে। ফিলিস্তিনিরা নিজেদের বাড়িঘর ও জমিতে যেতে পারছেন না। সেখানে ফিরে যাওয়ার নিশ্চয়তাও তাঁদের নেই।
[ad_2]
Source link