[ad_1]
তাই বলে সাধারণ সর্দি–কাশি, জ্বর হলেই আতঙ্কিত হয়ে একগাদা ওষুধ আর অ্যান্টিবায়োটিক খেতে হবে, তা নয়। মনে রাখতে হবে শুধু ভাইরাস সংক্রমণে অ্যান্টিবায়োটিকের কোনো ভূমিকা নেই।
ফ্লুতে আক্রান্ত হওয়ার পর যদি জ্বর বাড়াবাড়ি রকম বেড়ে যায়, দীর্ঘমেয়াদি হয়, কাশি বা শ্বাসকষ্ট অতিরিক্ত বেড়ে যায়, দুর্বলতা, বমি, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া বা অসংলগ্ন আচরণ দেখা যায়, প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যায় তাহলে দেরি না করে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে বা চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।
অনেক সময় ফ্লু সেরে যাওয়ার সময় আবার নতুন করে কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসে, প্রচণ্ড কাশি হয়, শ্বাস নিতে কষ্ট হয়—এগুলো সেকেন্ডারি ইনফেকশন বা নিউমোনিয়ার লক্ষণ। শিশুদের শ্বাসকষ্ট, যা বুকের ওঠানামা আর দেবে যাওয়া দিয়ে বোঝা যায়, সেটিও খারাপ লক্ষণ। বয়স্করা জ্বরে বেশি দুর্বল হয়ে পড়তে পারেন, খাওয়া বন্ধ করে দিতে পারেন, রক্তে ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে, এমনকি মাথা ঘুরে পড়ে যেতে পারেন।
[ad_2]
Source link