[ad_1]
বিরোধীদলীয় জোটের প্রস্তাবিত নীতি অনুযায়ী, অস্থায়ী ভিসার দ্বিতীয় ও পরবর্তী আবেদনগুলো বাধ্যতামূলকভাবে অস্ট্রেলিয়ার বাইরে থেকে করতে হবে। এর ফলে অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থান করে নতুন ভিসার আবেদনের পথ কার্যত বন্ধ হয়ে যাবে। এ ছাড়া অপেক্ষমাণ আবেদনকারীদের ‘ব্রিজিং ভিসা’ ও অস্থায়ী আশ্রয় ভিসাধারীর সংখ্যা প্রায় ৩ লাখ ৯৫ হাজার কমানো হবে। মানবিক ভিসার সংখ্যা অর্ধেক কমিয়ে ১০ হাজারে নামানো হবে। তবে দক্ষ কর্মীদের অস্থায়ী ভিসা এক লাখ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হবে।
অ্যাঙ্গাস টেইলর তাঁর ঘোষণায় অস্ট্রেলিয়াকে ‘হোটেল নয়, বাড়ি’ বলে বর্ণনা করেছেন। বিশ্লেষকদের মতে, টেইলর বোঝাতে চেয়েছেন—মানুষ এখানে কিছুদিন থেকে সুযোগ-সুবিধা ও অর্থ নিয়ে চলে যায়, কিন্তু দেশটির প্রতি তাদের কোনো দায় বা অঙ্গীকার থাকে না।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, অভিবাসনবিরোধী দল ‘ওয়ান নেশন’ তিন বছরে সাড়ে সাত লাখ অস্থায়ী ভিসাধারীকে ফেরত পাঠানোর কথা বলে জরিপে বিরোধী জোটকে ছাড়িয়ে গেছে। মূলত সেই চাপ সামলাতেই জোট এমন কঠোর অবস্থানে গেছে। অন্যদিকে লেবার সরকার গত মাসে ২০২৮ সালের মধ্যে নিট অভিবাসন ২ লাখ ২৫ হাজারে নামানোর পরিকল্পনা ঘোষণা করেছিল, যার চেয়ে বিরোধী জোটের লক্ষ্যমাত্রা অনেক বেশি কড়া।
[ad_2]
Source link