[ad_1]
যেখানে পেলের সঙ্গে মিলটা শুধু মাঠে ও মাঠের বাইরে একজন আদর্শ ফুটবলারের প্রতিকৃতি হয়ে থাকাতেই নয়, বিদায়েও। মেসিকে বিদায় জানাতে যেমন নতুন সাজে সেজেছে আর্জেন্টাইন ফুটবলের তীর্থ বুয়েনস এইরেসের মনুমেন্তাল, ১৯৭১ সালের ১৮ জুলাই পেলেকে বিদায় দিতে তেমনি সেজেছিল ব্রাজিলিয়ান ফুটবলের তীর্থ মারাকানা। ম্যারাডোনার যেখানে মাঠ থেকে বিদায়ই নেওয়া হয়নি। ১৯৯৪ বিশ্বকাপে ফক্সবরো স্টেডিয়ামে নাইজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচটির পর সাদা অ্যাপ্রন পরা এক তরুণীর সঙ্গে যখন ডোপ টেস্ট দিতে মাঠ থেকে বেরিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন কেউই ভাবেননি ম্যারাডোনা আসলে বেরিয়ে যাচ্ছেন আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকেই।
মেসিও যাচ্ছেন। তবে একেবারেই অন্যভাবে। সবার ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে। এই বিদায় শুধুই একজন ফুটবলারের বিদায় নয়, একটা সভ্যতারও অবসান।
মেসি–সভ্যতা!
[ad_2]
Source link