[ad_1]
শ্রাবণ মাসের তিন সপ্তাহেও কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টির দেখা মেলেনি। ফলে আমন চাষের জন্য উত্তরের চাষিদের পুরোপুরি সেচযন্ত্রের ওপর ভরসা করতে হচ্ছে। আবহাওয়া অফিসের তথ্য বলছে, জুলাই মাসের স্বাভাবিক গড় বৃষ্টিপাত ধরা হয় ৪০৬ মিলিমিটার। বগুড়ায় বিগত ৫ বছরে অস্বাভাবিক বৃষ্টিপাত কমে তিন ভাগের এক ভাগে নেমেছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ২০১৯ সালের জুলাই মাসে জেলায় ৪৫০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। ২০২০ সালে বৃষ্টিপাত হয়েছে ৪৮৫ মিলিমিটার। তবে পরের বছর ২০২১ সালে বৃষ্টির পরিমাণ কমে প্রায় অর্ধেক ২৭৭ মিলিমিটারে নেমেছে। গত বছরের জুলাইয়ে আরও কমে ২১১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। এ বছরের জুলাই মাসে বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে ১৫২ মিলিমিটার।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেন, রোপা আমন চাষাবাদ অনেকটা বৃষ্টির ওপর নির্ভরশীল। জমিতে পর্যাপ্ত পানি থাকলে ১৫ জুলাই থেকে ১৫ আগস্টের মধ্যে রোপা আমন লাগানো শেষ হয়। কিন্তু এবার ভরা বর্ষা মৌসুমেও কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টির দেখা মেলেনি। এবার ৩০ আগস্ট পর্যন্ত আমন চাষের মৌসুম ধরা হয়েছে।
শিবগঞ্জ উপজেলার কিচক এলাকার কৃষক নাজমুল হক বলেন, অন্যবার আষাঢ়েই প্রচুর বৃষ্টিপাত হতো। এবার শ্রাবণেও বৃষ্টির দেখা নেই। ফলে এলাকার কয়েক শ কৃষক ডিজেলচালিত গভীর নলকূপ চালু করে জমিতে সেচ দিয়ে আমনের চারা রোপণ করছেন।
[ad_2]
Source link