[ad_1]
মাতারবাড়ী বন্দর উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় পোর্ট অ্যাকসেস সড়ক নির্মাণে মহেশখালী চ্যানেলের নির্দিষ্ট অংশ থেকে বালু উত্তোলন বন্ধে হাই কোর্টের দেওয়া নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করেছে চেম্বার আদালত।
রোববার বিচারপতি মো. রেজাউল হকের চেম্বার আদালত এ আদেশ দেয়।
আদেশের পর অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “হাই কোর্টের আদেশের কারণে প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় বালু উত্তোলন বন্ধ থাকায় মাতারবাড়ী প্রকল্পের কাজ পিছিয়ে পড়েছিল।”
চেম্বার আদালতের আদেশের ফলে প্রকল্পের কাজ এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে আপাতত কোনো আইনি বাধা নেই, বলেছেন তিনি।
এর আগে জনস্বার্থে মহেশখালী চ্যানেলের নির্দিষ্ট এলাকা থেকে বালু উত্তোলন বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে হাই কোর্টে রিট আবেদন করেন মহেশখালী প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. জয়নাল আবেদীন।
রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে গেল ৩ সেপ্টেম্বর বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী ও বিচারপতি এ এফ এম সাইফুল করিমের হাই কোর্ট বেঞ্চ রুল জারির পাশাপাশি অন্তর্বর্তী নির্দেশনা দেয়।
নির্দেশনায় রুলের শুনানি না হওয়া পর্যন্ত চার মাসের জন্য মহেশখালী চ্যানেলের ভারুয়াখালী মোহনা ও বাঁকখালী মোহনা থেকে খননের মাধ্যমে বালু উত্তোলন থেকে সংশ্লিষ্টদের বিরত থাকতে বলা হয়।
একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর প্রতি নোটিস জারির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতেও নির্দেশ দেন আদালত।
রিট আবেদনকারীর পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ও সাবেক বিচারপতি ফয়সল মাহমুদ ফয়েজী।
রিট আবেদনে বলা হয়, মহেশখালী উপজেলার হামিদারদিয়া ও ঠাকুরতলা মৌজা থেকে বালু উত্তোলনের জন্য ‘টোকিও-ম্যাক্স ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড (এমআইএল) জেভি’ নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে অনুমতি দেয় কক্সবাজার জেলা প্রশাসন।
তবে অনুমতির শর্ত অমান্য করে মহেশখালী চ্যানেল, আদিনাথ পাহাড় এলাকার মোহনা এবং বাঁকখালী খালের মোহনা থেকে খননের মাধ্যমে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়।
রিট আবেদনে বলা হয়, এভাবে বালু উত্তোলনের ফলে নদীর তীর ও আশপাশের পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি ভাঙনের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
হাই কোর্টের দেওয়া নিষেধাজ্ঞার আদেশ চ্যালেঞ্জ করে চেম্বার আদালতে যায় রাষ্ট্রপক্ষ।
রোববার তাদের আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে চেম্বার আদালত হাই কোর্টের নির্দেশের কার্যকারিতা স্থগিত করল।
[ad_2]
Source link