[ad_1]
আনোয়ারা উপজেলা উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা সরওয়ার আলম বলেন, ‘তালগাছ বজ্রপাতের ঝুঁকি কমাতে বিশেষভাবে কার্যকরী। সে ক্ষেত্রে আবদুল ছবুরের উদ্যোগটি প্রশংসনীয়। তালগাছ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ও বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই এলাকায়, রাস্তার ধারে যত বেশি তালগাছ লাগানো যায়, ততই মঙ্গল।’
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক অলক পাল প্রথম আলোকে বলেন, তালগাছ বজ্রপাত নিরোধে কার্যকরী—এটি বৈজ্ঞানিকভাবে খুব বেশি প্রমাণিত নয়। তবে তালগাছের উচ্চতা ও গঠনগত দিক থেকে এটিকে বজ্রপাত নিরোধে সহায়ক মনে করা হয়। তিনি বলেন, তালগাছ সাধারণত সড়কের পাশে লাগানো হয়ে থাকে। বৃষ্টি বা বজ্রপাতের লক্ষণ দেখা দিলে মানুষ এর নিচে আশ্রয় নিতে পারে। এর ফলে দেখা যায় যেসব এলাকায় তালগাছ রয়েছে, সেখানে বজ্রপাতে মৃত্যু কম হয়। তাই বলা যায়, প্রাকৃতিকভাবে এটি বজ্রপাত নিরোধে সহায়ক হিসেবে কাজ করে।
আনোয়ারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ( ইউএনও) মো. মহিন উদ্দিন বলেন, ‘গ্রামের রাস্তায় রাস্তায় তালগাছ লাগানোটা এককথায় অসাধারণ উদ্যোগ। পরিবেশের পাশাপাশি জীবন রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে তালগাছ। এভাবে ভালো কাজে সবাই এগিয়ে এলে সমাজ পরিবর্তন হবেই।’
[ad_2]
Source link