[ad_1]
সদর উপজেলার ভায়না গ্রামের কৃষক তোফাজ্জেল মোল্যা তিন বিঘা জমিতে আমন চাষ করেছেন। এর মধ্যে দুই বিঘা জমি বর্গা এবং এক বিঘা তাঁর নিজের। তিনি বলেন, সরকার সারের যে দাম নির্ধারণ করেছে, বাজারে দাম তার চেয়ে অনেক বেশি। চাষাবাদ ছেড়ে দেওয়া ছাড়া কোনো উপায় নেই।
যশোর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, জেলায় এবার আমন ধান চাষ হয়েছে ১ লাখ ৩৩ হাজার হেক্টর জমিতে। ৩৩ শতকে বিঘা ধরে আমন ধান চাষে ইউরিয়া সার ৩০ কেজি, টিএসপি ১৫ থেকে ২০ কেজি এবং এমওপি ১৫ থেকে ২০ কেজি প্রয়োগ করতে হয়। টিএসপি সারের বিকল্প হিসেবে একই পরিমাণ ডিএপি সার দেওয়া যেতে পারে।
কৃষি-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত বছর এক বিঘা (৩৩ শতকে বিঘা) জমিতে আমন ধানের চাষ করতে সব মিলিয়ে ১৫ হাজার থেকে ১৮ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছিল। ধান উৎপাদন হয়েছিল ১৫ থেকে ১৬ মণ। এবার বিঘাপ্রতি খরচ পড়বে ১৮ থেকে ২১ হাজার টাকা। আর ধান কাটার সময় ধানের দাম থাকে প্রতি মণ সাড়ে ৯০০ টাকা থেকে ১ হাজার ৫০ টাকা। সে হিসাবে ১৬ মণ (১ হাজার ৫০ টাকা মণ ধরে) ধানের দাম দাঁড়ায় ১৬ হাজার ৮০০ টাকা। এ হিসাবে আমন ধান উৎপাদনের খরচই উঠছে না।
[ad_2]
Source link