[ad_1]
কমলনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সও ৩১ শয্যার। সেখানে সর্বশেষ অস্ত্রোপচার হয়েছে ২০২০ সালের নভেম্বরে। এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেও গাইনি, সার্জারি, শিশু, মেডিসিন ও অ্যানেসথেসিওলজি বিভাগের চিকিৎসক নেই। প্রতিদিন হাসপাতালটির বহির্বিভাগে গড়ে ৫০০ রোগী চিকিৎসা নেন।
লক্ষ্মীপুরের রায়পুর, রামগতি ও কমলনগর উপজেলার জনসংখ্যা প্রায় ১০ লাখ। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অস্ত্রোপচার সেবা বন্ধ থাকায় বাসিন্দাদের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। রামগতির চরগাজী ইউনিয়নের আবদুল সাত্তার জানান, সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে তিনি অস্ত্রোপচারের জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান। হাত ভাঙার চিকিৎসা নিতে গিয়ে তিনি জানতে পারেন, অস্ত্রোপচার সেবা বন্ধ রয়েছে। পরে তাঁকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার দূরে লক্ষ্মীপুর শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নিতে হয়েছে। আবদুল সাত্তার বলেন, ‘বেসরকারি হাসপাতালে গিয়ে অনেক টাকা খরচ হয়েছে। আমাদের মতো সাধারণ মানুষের জন্য এত খরচ বহন করা কঠিন।’
কমলনগরের বাসিন্দা মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘আমার স্ত্রীর গাইনিবিষয়ক সমস্যা ছিল। চিকিৎসক জানিয়েছেন, জরুরি ভিত্তিতে অপারেশন করতে হবে। কিন্তু স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খোঁজ নিয়ে জানতে পারি, অপারেশন থিয়েটার আছে, কিন্তু অপারেশন হয় না। সরকারি হাসপাতালে যদি এই সেবা থাকত, তাহলে বাইরে গিয়ে এত টাকা খরচ করতে হতো না।’
[ad_2]
Source link