[ad_1]
এই সংস্কারে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে কার্যকর শিক্ষা নেওয়া যেতে পারে। বর্ণবাদী শাসনের নিরাপত্তাকাঠামো থেকে বেরিয়ে আসার পর দেশটি ১৯৯৪ সালের ‘ইন্টেলিজেন্স সার্ভিসেস ওভারসাইট অ্যাক্ট’-এর মাধ্যমে দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলে: পার্লামেন্টের জয়েন্ট স্ট্যান্ডিং কমিটি অন ইন্টেলিজেন্স (গোয়েন্দাবিষয়ক যৌথ স্থায়ী কমিটি) এবং স্বাধীন ইন্সপেক্টর–জেনারেল অব ইন্টেলিজেন্স।
সংসদীয় কমিটি গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কার্যক্রম, বাজেট, অডিট, প্রস্তাবিত আইন এবং বিভিন্ন সংস্থার দায়িত্বের বিভাজন পর্যালোচনা করতে পারে। প্রয়োজন হলে শুনানি আয়োজন, সাক্ষী তলব এবং জনসাধারণের অভিযোগের তদন্তের নির্দেশও দিতে পারে। গোপন তথ্য রক্ষার জন্য কমিটির বৈঠক বন্ধ দরজায় হতে পারে, কিন্তু গোপনীয়তার অজুহাতে সংসদীয় জবাবদিহি বাদ দেওয়া যায় না।
সেখানকার ইন্সপেক্টর জেনারেল অব ইন্টেলিজেন্স গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর আইন ও নীতিমালা মেনে চলা পর্যবেক্ষণ করেন, কার্যক্রম পর্যালোচনা করেন এবং প্রয়োজনীয় যেকোনো গোয়েন্দা তথ্য বা স্থাপনায় প্রবেশ করতে পারেন। আইনে বলা হয়েছে, তাঁর কাছ থেকে কোনো সংস্থা প্রয়োজনীয় নথি বা স্থাপনায় প্রবেশাধিকার আটকে রাখতে পারবে না। তাঁকে স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের কথাও আইনে স্পষ্ট করা হয়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকা পরবর্তীকালে ‘জেনারেল ইন্টেলিজেন্স লজ অ্যামেন্ডমেন্ট অ্যাক্ট থার্টি-সেভেন অব টুয়েন্টি টুয়েন্টি ফোর’-এর মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক বেসামরিক গোয়েন্দা দায়িত্ব আবার পৃথক করার উদ্যোগ নিয়েছে, যা দায়িত্বের সীমা পরিষ্কার রাখার গুরুত্বই তুলে ধরে।
[ad_2]
Source link