[ad_1]
হিস্টোরিক হোটেলস ওয়ার্ল্ডওয়াইডের নথিতে ফেয়ারমন্ট শাতো লেক লুইজকে পশ্চিম কানাডার ‘হলিউড নর্থ’ ইতিহাসের অংশ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে জন ব্যারিমোর, বেটি গ্রেবল ও কারমেন মিরান্ডার মতো তারকাদের সিনেমার সঙ্গে লেক লুইজের যোগের কথা আছে। আবার হোটেলের বিখ্যাত অতিথিদের তালিকায় পাওয়া যায় মেরি পিকফোর্ড, ডগলাস ফেয়ারব্যাংকস, আলফ্রেড হিচকক, মেরিলিন মনরো ও ‘সুপারম্যান’ তারকা ক্রিস্টোফার রিভের নাম।
অর্থাৎ, পর্যটকদের ক্যামেরায় জায়গাটি পরিচিত হওয়ার বহু আগেই সিনেমার ক্যামেরা এসে পৌঁছেছিল এখানে।
ছোট্ট শ্যালে থেকে ঐতিহাসিক হোটেল
সিনেমার গল্পে যাওয়ার আগে হোটেলটির ইতিহাসও বেশ চমকপ্রদ। লেক লুইজের তীরে শাতোর যাত্রা শুরু ১৮৯০ সালে। কানাডিয়ান প্যাসিফিক রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক কর্নেলিয়াস ভ্যান হর্ন তখন এখানে একতলা একটি কাঠের শ্যালে তৈরি করেন। খাবারের জায়গা, বার ও দুটি শোবার ঘর—এই ছিল শুরু।
উদ্দেশ্যও ছিল পরিষ্কার। কানাডিয়ান রকিজের প্রকৃতি দেখতে আসা অভিযাত্রী ও পর্যটকদের থাকার একটি জায়গা তৈরি করা। সে সময় রেলপথই এই দুর্গম অঞ্চলের সঙ্গে বাইরের মানুষের যোগাযোগ সহজ করে তুলছিল।
শুরুর বছর ১৮৯০ সালে অতিথির সংখ্যা ছিল মাত্র ৫০। দুই দশকের কিছু বেশি সময়ের মধ্যে ছবিটা পাল্টে যায়। ১৯১২ সাল নাগাদ বছরে ৫০ হাজারের বেশি মানুষ আসতে শুরু করেন। বাড়তে থাকে হোটেলের পরিসরও। আগুন, পুনর্নির্মাণ এবং কয়েক দফা সম্প্রসারণের মধ্য দিয়ে ছোট কাঠের শ্যালেই একসময় রূপ নেয় আজকের বিশাল ফেয়ারমন্ট শাতো লেক লুইজে।
হোটেলটির ইতিহাসের সঙ্গে কানাডিয়ান রকিজে পর্বতারোহণের বিকাশও জড়িয়ে আছে। উনিশ শতকের শেষ দিকে এখানে পেশাদার সুইস পর্বতারোহী গাইড আনা হয়েছিল। পর্যটকদের পাহাড়ে ওঠা ও স্কি শেখাতেন তাঁরা। ধীরে ধীরে লেক লুইজ হয়ে ওঠে পাহাড়প্রেমী ও অভিযাত্রীদের আকর্ষণের কেন্দ্র।
সম্ভবত এই দুর্গম আর অপরূপ প্রকৃতির যুগলবন্দীই পরে সিনেমার মানুষদেরও টেনে এনেছিল।
[ad_2]
Source link