[ad_1]
বিজেপির পর কংগ্রেসই দ্বিতীয় দল, যার সর্বভারতীয় উপস্থিতি ও প্রভাব আছে। বিজেপির বিরোধিতা করতে গিয়ে কংগ্রেসের পাশে দাঁড়ানো তাদের পক্ষে কতটা লাভের, সেই চিন্তা এখনো জোটের অনেক নেতাকে দোলাচলে রেখেছে।
যদিও এই নেতারা জানেন, বিজেপি সেই শক্তি, যারা শরিকের পাশে থেকে শরিককেই গিলে ফেলে। মহারাষ্ট্রে এভাবে তারা শিবসেনাকে শেষ করেছে। এনসিপিকে গিলে ফেলেছে। পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসকে পথে বসিয়েছে। বিহারে নীতীশ কুমারকে কোণঠাসা করে ছড়ি ঘোরাচ্ছে।
এই দোলাচল এখনো দ্বিধায় রেখেছে তেলেঙ্গানার বিআরএসকে, অন্ধ্র প্রদেশের ওয়াইএসআর কংগ্রেসকে, ওডিশার বিজু জনতা দলকে এবং অবশ্যই কিছুটা টিডিপি ও জেডিইউকে। শেষের এই দুই দল এনডিএর শরিক। এদেরই মতো শরিক বিহারের লোকজনশক্তি পার্টির নেতা চিরাগ পাসোয়ান, উত্তর প্রদেশের রাষ্ট্রীয় লোক মোর্চার নেতা উপেন্দ্র কুশওয়া, মহারাষ্ট্রের শরিক রিপাবলিকান পার্টির রামদাস আটওয়ালে, কর্ণাটকে জেডিএসের কুমারস্বামী।
নির্বাচন কমিশনকে ‘সব সন্দেহ দূর করার’ দাবি জানিয়ে এসব নেতার প্রত্যেকেই বিবৃতি দিয়েছিলেন। বিজেপি দ্রুত তাদের সামলেছে। ইসিও বিবৃতি দিয়েছে। যদিও সেই বিবৃতিতে প্রকারান্তরে মেনে নেওয়া হয়েছে, ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিটি তথ্য ১০০ ভাগ সত্য।
[ad_2]
Source link