[ad_1]
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে ঢুকে এক শিক্ষার্থীকে মারধর ও আছাড় দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার সহপাঠীর অভিভাবকের বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নের রাজদিয়া অভয় পাইলট স্কুল অ্যান্ড কলেজে এ ঘটনা ঘটে। পরে সেই অভিভাবককে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিরাজদিখান থানার ওসি মো. আলাউদ্দিন।
আটক নাহিদ শেখ উপজেলার পূর্ব রাজদিয়া গ্রামের মৃত আব্দুর জব্বার শেখের ছেলে।
এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষে যে যার বেঞ্চে বসে আছে। এ সময় নাহিদ শেখ শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করে বেঞ্চ থেকে এক স্কুলছাত্রকে টেনেহিঁচড়ে ঘাড় ধরে নিচে ফেলে দেন।
এরপর দুই হাতে শূন্যে তুলে ওই ছাত্রকে একাধিকবার আছাড় দেন। এ সময় তিনি শিশুটিকে কিল-ঘুষিও মারেন।
এ সময় শ্রেণিকক্ষে থাকা শিক্ষার্থীরা ভয়ে চিৎকার-চেচামেচি শুরু করলে বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা ঘটনাস্থলে এগিয়ে আসেন।
পরে প্রধান শিক্ষক নাহিদ শেখকে তার কক্ষে নিয়ে যান এবং বিষয়টি সিরাজদিখান থানা পুলিশকে জানান।
খবর পেয়ে সিরাজদিখান থানা পুলিশ বিদ্যালয়ে গিয়ে নাহিদ শেখকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পরিষদের অভিভাবক সদস্য জাহাঙ্গীর আলম জানান, বুধবার দুই ছাত্রের মধ্যে ঝগড়া হয়েছিল। এই নিয়ে বৃহস্পতিবার এক ছাত্রের অভিভাবক আরেক ছাত্রকে মারধর করে। প্রধান শিক্ষকের কাছে বিচার না দিয়ে এভাবে শ্রেণির পক্ষে ঢুকে ছাত্রকে মারধরের বিষয়টি খুবই লজ্জাজনক। এমন কাজটি ওই ও অভিভাবকের করা ঠিক হয়নি।
সিরাজদিখান থানার ওসি মো. আলাউদ্দিন বলেন, এ ঘটনায় স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক বিশ্বজিৎ ঘোষ বাদী হয়ে নাহিদ শেখকে আসামি করে মামলা করেছেন।
সিরাজদিখান উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুম্পা ঘোষ বলেন, এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
[ad_2]
Source link