[ad_1]
শিশুদের নিরাপদ পরিবেশে বেড়ে ওঠার অধিকার নিশ্চিত করতে সিসাদূষণ নিয়ন্ত্রণ জরুরি বলে মনে করেন তরুণ পরিবেশকর্মী সোহানুর রহমান।
পরিবেশগত সুবিচার নিয়ে কাজ করার আগ্রহ থেকেই সিসাদূষণ নিয়ে কাজ শুরু করেন তিনি। তার মতে, সচেতনতার পাশাপাশি এ দূষণ নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজন উদ্ভাবনী উদ্যোগ।
হ্যালো ডট বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে তিনি বলেন, “বিশ্বজুড়ে বিপুলসংখ্যক শিশু সিসাদূষণের কারণে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছে। বাংলাদেশেও সিসাদূষণের প্রভাব ব্যাপক।“
সিসাদূষণ নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক স্বার্থও একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এ ক্ষেত্রে সরকারের কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মনে করেন সোহান।
তিনি বলেন, “বাংলাদেশে সিসা কারখানার অর্থনীতি প্রায় এক বিলিয়ন ডলারের। যেহেতু এটি একটি আকর্ষণীয় ব্যবসাখাত, সরকার উদ্যোগ না নিলে এটি পুরোপুরি বন্ধ করা কঠিন হবে।”
তবে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ও পরিবেশ সুরক্ষার মধ্যে ভারসাম্য তৈরি করা সম্ভব বলে মত তার। সিসাদূষণ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি আনুষ্ঠানিকভাবে সিসা রিসাইক্লিংয়ের সুযোগ তৈরি হলে একদিকে পরিবেশ রক্ষা করা যাবে, অন্যদিকে অর্থনীতিও টেকসই হবে। এজন্য তথ্যপ্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী উদ্যোগ কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
শিশুদের ওপর সিসার প্রভাব নিয়ে উদ্বেগের কথাও জানান সোহান। তার ভাষায়, “সিসাদূষণ ও এর বিষক্রিয়ার ফলে শিশুদের বুদ্ধিমত্তা নষ্ট হয়। এর ফলে একটি প্রতিবন্ধী শিশু জনগোষ্ঠী তৈরি হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।”
তিনি বলেন, “আমরা শিশুদের ভালোবেসে যে খেলনা উপহার দিই, বিশেষ করে নিম্নমানের প্লাস্টিকের খেলনায় সিসা থাকতে পারে। ঘরের রঙেও সিসা রয়েছে। একসময় মশলা, যেমন হলুদেও সিসা ছিল। তবে সরকারি উদ্যোগের কারণে আমরা হলুদে সিসার ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে আনতে পেরেছি।”
প্রতিবেদকের বয়স: ১৬। জেলা: ঢাকা।
[ad_2]
Source link