[ad_1]
এরপর থেকেই বারিকের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। পুলিশের কাছ থেকে সদুত্তর না পেয়ে গত বুধবার মাসুমের পক্ষ থেকে রায়গঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে দেখা করা হয়। মাসুম জানায়, ওই কর্মকর্তা ই-মেইলের মাধ্যমে তথ্য চাওয়ার পরামর্শ দেন। কিরীটি রায় এক বিবৃতিতে বলেন, পরামর্শ অনুযায়ী তাৎক্ষণিকভাবে অফিশিয়াল ই-মেইল পাঠানো হলেও কোনো লিখিত জবাব পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া গত ২ জুনের সরকারি গ্রেপ্তারি তালিকা পরীক্ষা করে দেখা গেছে, সেখানে আব্দুল বারিকের গ্রেপ্তারের কোনো নথি নেই।
আব্দুল বারিক পেশায় একজন মৎস্যজীবী ও জমিজমা থাকা স্থানীয় বাসিন্দা। তাঁর আয়ের ওপর ২৩ জনের একটি পরিবার নির্ভরশীল। পরিবারের দাবি, ভারতীয় নাগরিকত্বের প্রমাণ হিসেবে তাঁর ভারতীয় পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স এবং আয়কর কার্ড রয়েছে। এমনকি তিনি ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনেও নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।
[ad_2]
Source link