[ad_1]
দিল্লিতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত আনার বিষয়টি বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপক্ষীয় বিষয় এবং এ ক্ষেত্রে তৃতীয় কোনো দেশের সম্পৃক্ততার প্রয়োজন নেই বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে সরকারের কাজের অগ্রগতি নিয়ে সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
সম্প্রতি নিউ ইয়র্কে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বলা হয়, মানবতাবিরোধী অপরাধে ফাঁসির দণ্ড পাওয়া শেখ হাসিনার বিষয়ে বাংলাদেশ ও ভারত মিলে সিদ্ধান্ত নেবে বলে যুক্তরাষ্ট্র ‘আশা’ করে।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র বলেন, “এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক অবস্থান নেয়নি। আমরা বুঝতে পারছি যে, বিষয়টি ভারত ও বাংলাদেশের বৈরিতার একটি বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
“তাই আমরা আশা করছি, তারা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে একটি সমাধানে পৌঁছাবে। আর হাসিনার সঙ্গে কী হওয়া উচিত, তা আমরা এখনো নির্দিষ্ট করে জানাইনি।”
সেই প্রসঙ্গ ধরে মঙ্গলবারের ব্রিফিংয়ে উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান বলেন, “আমরা তাকে (শেখ হাসিনা) চাইছি এবং ইনডিয়াকেই হস্তান্তর করতে হবে। মানে আমেরিকা যেটা বোঝানোর চেষ্টা করেছে সেটা আসলে একটা বাইল্যাটারাল ইস্যু, এটার মধ্যে কোনো অন্য কোনো দেশের আসলে কোনো ইনভলভমেন্টের প্রয়োজন নাই। আমরাও তাই মনে করি।”
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনার রায়ের প্রসঙ্গ ধরে জাহেদ উর রহমান বলেন, “আমাদের একজন দণ্ডপ্রাপ্ত ভয়ঙ্কর আসামি, ভয়ঙ্কর আসামি, আমিও কথাটা সবসময় বলি। উনি খুন করেননি, উনি যেটা করেছেন এটাকে ‘ক্রাইম এগেইনস্ট হিউম্যানিটি’ বলে। এটা একটা আলাদা মাত্রার অপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ। যেটার বিচার ইন্টারন্যাশনাল কোর্টে করা যায়।
“সো, এইরকম একজন আসামি, যিনি সাজাপ্রাপ্ত হয়েছেন, দণ্ডপ্রাপ্ত হয়েছেন, তিনি ইনডিয়াতে আছেন, আমরা অবশ্যই তাকে ফেরত চাই। এটা আমাদের দ্বিপক্ষীয় ব্যাপার এবং আমরা সে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি, তাদের সাথে কথা বলছি।”
শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরানোর বিষয়টি নিয়ে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশ ‘আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে’ বলে মন্তব্য করেন উপদেষ্টা।
ভারতের হাই কমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের প্রসঙ্গ ধরে জাহেদ উর রহমান বলেন, “আমি আগে একদিন বলেছিলাম যে ভারতের হাই কমিশনারের সাথে যখন আমার সৌজন্য বৈঠক হয়েছিল, তখনও আমি তাকে এই কথাটা বলেছি।
“উনি যার সাথেই দেখা করছেন, বাংলাদেশের এই অস্বস্তির জায়গাটা ভারতকে জানাচ্ছেন। আমি আশা করি যে তারা এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেবেন।”
[ad_2]
Source link