[ad_1]
তথ্য কণিকা
১. ১৯৪২ সালের ১২ জুন জন্মদিনে আনা ফ্রাঙ্ক লাল-সাদা চেকের একটা ডায়েরি উপহার পেয়েছিল। জন্মদিনের কিছুদিন পর জার্মানিতে তলব করা হলে আনার পুরো পরিবার একটা গোপন জায়গায় লুকাতে বাধ্য হয়। আনা সেই গোপন কুঠুরিতে (অ্যানেক্স) অনেক কিছুর সঙ্গে তার ডায়েরিটাও নিয়ে যায়।
২. গোপন কুঠুরিতে লুকিয়ে থাকার সময় একটা প্রিয় বই পড়তে পড়তে আনা ভাবে সেও এই সময়টার কথা লিখে রাখবে। সে তার কাল্পনিক বন্ধু ‘কিটি’কে চিঠির মতো করে পুরো ঘটনা বলবে যে তার কল্পনার বাকি বন্ধুদের মধ্যে সবচেয়ে কাছের।
৩. ১৯৪৪ সালের ৪ আগস্টে যখন আনাদের গোপন আস্তানার সবাই গ্রেপ্তার হয়, তখন মৃত্যু যেন আগে থেকে নির্ধারিতই ছিল। তারও এক বছর পর যখন শুধু আনার বাবা ওটো ফ্রাঙ্ক বাদে বাকিদের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত, তখন ওটো ফ্রাঙ্ক তাঁর মেয়ের ডায়েরিটি পান। ওটো ফ্রাঙ্কের হাত ধরেই আনা ফ্রাঙ্কের ডায়েরি প্রথম বই আকারে প্রকাশিত হয় ১৯৪৭ সালের ২৫ জুন।
৪. আনা ফ্রাঙ্ক তার ডায়েরিতে সে সময়ের ঘটনাগুলো এত চমৎকার আর নির্দিষ্টভাবে তুলে ধরেছে বইটি একটি ১৩ বছরের বাচ্চা মেয়ের হাত ধরে শুরু হয়েছিল এটা বিশ্বাস করা অনেকের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছিল।
৫. নেদারল্যান্ডসে প্রকাশের পাঁচ বছর পর ১৯৫২ সালে আমেরিকাতে প্রথমবার যখন আনা ফ্রাঙ্কের ডায়েরি প্রকাশিত হয়, তখন বইটি প্রথম মুদ্রণে পাঁচ হাজার কপি, দ্বিতীয় মুদ্রণে ১৫ হাজার কপি আর তৃতীয় মুদ্রণে ৪৫ হাজার কপি প্রকাশিত হয়। এরপর লাখ লাখ লোক বইটি পড়তে শুরু করে।
৬. দক্ষিণ আফ্রিকার অবিসংবাদিত নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা আনা ফ্রাঙ্কের ডায়েরি সম্পর্কে বলেছিলেন, ‘ রোবেন দ্বীপে আমাদের মধ্যে কেউ কেউ আনা ফ্রাঙ্কের ডায়েরি পড়ত। বইটি একই সঙ্গে আমাদের যেমন উৎসাহ দিয়েছে, উদ্দীপনা জাগিয়ে রেখেছে, ঠিক সেভাবেই আমাদের শক্তি দিয়েছে এটা বিশ্বাস করতে, স্বাধীনতা আসবেই।’
সূত্র: আনাফ্রাঙ্ক ডট ওআরজি
গ্রন্থনা: দিলরুবা শারমিন
[ad_2]
Source link