[ad_1]
কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী চলমান অভিযানে আরও ৪১৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
রোববার সন্ধ্যা ৭টা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত জেলার ১৮টি থানার সব ইউনিট ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশ একযোগে এ অভিযান চালায়।
সোমবার জেলা পুলিশের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, গত বুধবার কুমিল্লায় একরাতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে ৬২৪ জনকে আটক করা হয়। পরে ৪৫১ জনকে মুচলেকা নিয়ে অভিভাবকদের জিম্মায় দেওয়া হয়; ১৭৩ জনকে পাঠানো হয় আদালতে।
এছাড়াও শনিবার রাতে ২৫৪ জনকে আটক করা হয়। পরে মুচলেকা নিয়ে ১৪৬ জনকে অভিভাবকদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয় এবং বিভিন্ন অভিযোগে ১০৮ জনকে আদালতে তোলা হয়।
কুমিল্লার পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামানের নির্দেশে নগরীর বিভিন্ন স্থানসহ প্রত্যেকটি থানা এলাকার বিভিন্ন স্থানে- যেখানে কিশোর বয়সী বখাটেদের উৎপাত রয়েছে সেসব স্থানে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ সুপা লুৎফর রহমান জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, “রোববারের অভিযানে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সরাসরি অংশগ্রহণ করেন। অভিযানে ৪১৫ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের অপরাধে সম্পৃক্ততা যাচাই করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
গত ১৮ সেপ্টেম্বর বিকেলে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তোলার কথা বলে বাসা থেকে বের হওয়ার পর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. নাহিদা বেগমের ছেলে অপ্রতিম নিখোঁজ হন। পরদিন দুপুরে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের পাশের লালমাই সানান্দা পাহাড় এলাকার একটি জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এ হত্যাকাণ্ডে সাইফুল ইসলাম তুহিন (১৯), মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদ (১৫), মো. সিয়াম (১৯) ্ও ১৬ বছর বয়সী এক কিশোর গ্রেপ্তার হয়।
তাদের মধ্যে সিয়াম ছাড়া বাকি তিনজন কুমিল্লার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।
গ্রেপ্তারদের কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ততার তথ্য সামনে আসার পর জেলার বিভিন্ন কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করে পুলিশ।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লুৎফর রহমান বলেন, “কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংয়ের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
[ad_2]
Source link