[ad_1]
অর্থ বিভাগের সূত্রগুলো জানিয়েছে, মেয়াদ শেষে পিডি লাইসেন্সধারী ব্যাংকগুলোর কার্যক্রম ও কর্মকৃতির (পারফরম্যান্স) বার্ষিক মূল্যায়নের চিন্তা করছে সরকার। সেই মূল্যায়নের ভিত্তিতে নতুন পিডি নিয়োগ, লাইসেন্স নবায়ন বা বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।
এবি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ গত ১২ মে তাদের পিডি লাইসেন্স সমর্পণের সিদ্ধান্ত নেয়। সে অনুযায়ী তারা আগামী ১ অক্টোবর থেকে পিডি লাইসেন্স বাতিল চেয়ে অর্থ বিভাগে আবেদন করে। আবেদনে ব্যাংকটি জানায়, লাইসেন্স পাওয়ার পর থেকে তারা সরকারি সিকিউরিটিজের প্রাথমিক বাজারে বিনিয়োগ করে আসছে। তবে সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ৪ হাজার ২৭০ কোটি টাকার ডিমান্ড ঋণ নেওয়ার পরও দৈনন্দিন লেনদেন পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়েছে।
জানতে চাইলে এবি ব্যাংকের চেয়ারম্যান মো. ফজলুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘ব্যাংকের বর্তমান বাস্তবতায় পিডি লাইসেন্স রাখার দরকার নেই বলে আমরা মনে করছি। তাই সমর্পণের আবেদন করেছি। পরিস্থিতি অনুকূলে এলে ভবিষ্যতে তা সরকারের কাছে চাইব।’
বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংকও অর্থ বিভাগে দেওয়া আবেদনে জানিয়েছে, কার্যক্রম শুরুর পর থেকে গ্রাহক বৃদ্ধি ও আমানত কার্যক্রম শক্তিশালী করার দিকে মনোযোগ দিলেও বর্তমানে তারা সংকটে রয়েছে। এ কারণে ১ অক্টোবর থেকে পিডি লাইসেন্স বাতিল চেয়েছে।
[ad_2]
Source link