[ad_1]
ইকবালের বাবা প্রায় তিন বছর ধরে কিডনি রোগে ভুগছেন। নিয়মিত ডায়ালাইসিস নিতে হয় তাঁকে। বাবার চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে যাতায়াত করতে গিয়ে কিডনি রোগীদের দেখেছেন ইকবাল। চিকিৎসকদের সঙ্গেও কথা বলেছেন। এই অভিজ্ঞতা তাঁর ভবিষ্যৎ গবেষণার ভাবনাতেও প্রভাব ফেলেছে। তিনি কিডনি রোগসহ বিভিন্ন রোগ দ্রুত শনাক্ত করার প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করতে চান।
বিদেশে পিএইচডি করলেও সেখানে থাকতে চান না ইকবাল। পিএইচডি শেষে দেশে ফিরে গবেষণা করতে চান তিনি। বাংলাদেশের নিজস্ব অণুজীবসম্পদ কীভাবে শিল্প ও বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহার করা যায়, তা নিয়ে কাজ করতে চান তিনি। উপকারী অণুজীব কীভাবে দেশীয় পদ্ধতিতে উৎপাদন করা যায়, সেটিও তাঁর আগ্রহের বিষয়। এসব জীবসম্পদ ব্যবহার করে ওষুধ ও অন্যান্য উপকারী পণ্য তৈরির সম্ভাবনাও খুঁজতে চান তিনি।
যাঁরা কম সিজিপিএ নিয়ে হীনম্মন্যতায় ভুগছেন, তাঁদের উদ্দেশে ইকবাল বলেন, ‘একসময় আমার মনে হতো সিজিপিএ অনেক বড় বিষয়। তবে এখন শিক্ষার্থী কী পরিমাণ তাঁর কাজের প্রতি অনুগত, এ বিষয়ে গুরুত্ব অনেক বেশি। আর শুধু অনেক বেশি পড়লেই সিজিপিএ ভালো করা যায় না। এর জন্য শিক্ষকের পড়ানোর ধরন, পরীক্ষায় কোন বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়—এসব বোঝার চেষ্টা করতে হবে। এ রকম না হলে ভালো ফলাফল নিয়ে সুনিশ্চিতভাবে বিদেশে যাওয়া কষ্টকর।’
[ad_2]
Source link