প্রিন্ট এর তারিখঃ সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৬, ৫:৫৭ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬, ১০:১৬ অপরাহ্ন
মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত • চট্টগ্রাম বন্দরের সঙ্গে নৌ-যোগাযোগ পুনরায় চালু প্রক্রিয়াধীন
[ad_1]
চট্টগ্রাম বন্দরের সঙ্গে নৌ-যোগাযোগ পুনরায় চালু প্রক্রিয়াধীন
চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্সের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত কিয়াও সোয়ে মো/ছবি: জাগো নিউজ
বাংলাদেশের সঙ্গে আন্ত:সীমান্ত বাণিজ্য বৃদ্ধি এবং চট্টগ্রাম বন্দরের সঙ্গে মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুন ও সীথওয়ে নৌবন্দরের নৌ-যোগাযোগ পুনরায় চালুর বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত কিয়াও সোয়ে মো (KYAW SOE MOE)। এ বিষয়ে মিয়ানমার সরকার বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে চট্টগ্রাম নগরীর আগ্রাবাদের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের কনফারেন্স হলে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা জানান। চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করে।
রাষ্ট্রদূত বলেন, মিয়ানমারের অন্যতম প্রতিবেশী দেশ হচ্ছে বাংলাদেশ। সম্প্রতি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীন সফরে চীন-বাংলাদেশ ইকোনমিক করিডোর নিয়ে যে আলোচনা করেছেন, তা বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের সঙ্গে মিয়ানমারের সম্পর্ক আরও জোরদার হবে।
কিয়াও সোয়ে মো বলেন, মিয়ানমারে রাশিয়ার সহযোগিতায় একটি এলএনজি হাব গড়ে তোলা হচ্ছে। এছাড়া জলবিদ্যুৎ প্রকল্প হাতে নিয়েছে মিয়ানমার সরকার। যেহেতু বাংলাদেশের জ্বালানি সংকট রয়েছে, তাই উভয় দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদার হলে বাংলাদেশ মিয়ানমার থেকে সহজে এলএনজিসহ বিদ্যুৎ আমদানি করতে পারবে।
দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে টেকসই উন্নয়নের জন্য দু’দেশের সরকার টু সরকার এবং ব্যবসায়ী টু ব্যবসায়ী যোগাযোগ স্থাপনের বিকল্প নেই মন্তব্য করে তিনি বলেন, চাল, আদা, রাবার, মাছসহ বিভিন্ন পণ্য মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে রপ্তানি এবং বাংলাদেশ থেকে ফার্মাসিউটিক্যালস, রাসায়নিক ও পোশাক শিল্পসহ অন্যান্য পণ্য আমদানির সুযোগ রয়েছে। ইয়াঙ্গুনের সঙ্গে ঢাকা এবং চট্টগ্রামের সরাসরি ফ্লাইট চালুর ব্যাপারেও উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
চেম্বার সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক বলেন, মিয়ানমার প্রাকৃতিক সম্পদে পরিপূর্ণ একটি দেশ। তাই সার্বিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে দু’দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নে এগিয়ে আসতে হবে। কারণ বাংলাদেশ তথা চট্টগ্রামের পার্শ্ববর্তী প্রতিবেশী হলো মিয়ানমার। তাই দু’দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্কোন্নয়নে উপকূলীয় জাহাজ চলাচল, সড়ক যোগাযোগ এবং সরাসরি ফ্লাইট চালুর কোনো বিকল্প নেই।
তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রাম এই অঞ্চলের আঞ্চলিক ও বিনিয়োগ হাবে পরিণত হয়েছে। এছাড়া ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে চট্টগ্রাম বন্দরের পাশাপাশি চট্টগ্রাম বিমান বন্দরও পূর্ব ও পশ্চিম অঞ্চলের অন্যতম এয়ার এভিয়েশন হাব হতে পারে। এছাড়া সরকারও চট্টগ্রাম বিমান বন্দরকে নিয়ে আলাদা মেগা প্রকল্প হাতে নিয়েছে। এটি বাস্তবায়িত হলে মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুনসহ অন্যান্য অঞ্চলের ফ্লাইট কানেক্টিভিটি জোরদার হবে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীন ইকোনমিক করিডোর বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে দ্বিপাক্ষিকসহ বৈশ্বিক বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।
মতবিনিময় সভায় চট্টগ্রাম চেম্বারের সিনিয়র সহসভাপতি মো. আমজাদ হোসেন চৌধুরী, চেম্বারের প্রাক্তন সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আলী আহমেদ, প্রাক্তন সিনিয়র সহ-সভাপতি এম. এ. ছালাম, প্রাক্তন পরিচালক এস. এম. আবু তৈয়ব, মিয়ানমার দূতাবাসের কাউন্সেলর হতেত মিয়াত লুইন (HTET MYAT LWIN), মিয়ানমার প্রজাতন্ত্রের অনারারি কনসাল জেনারেল এ এইচ এম হাকিম আলী, চেম্বার পরিচালক আমান উল্লা আল ছগির (ছুট্টু), মোহাম্মদ আকতার পারভেজ, ইঞ্জিনিয়ার মো. গোলাম সরওয়ার, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের পরিচালক মেজর (অব.) এমদাদুল ইসলাম, নটিকা’র চেয়ারম্যান ক্যাপ্টেন শফিক ভূঁইয়া, প্যান মেরিন লাইনস’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আসলাম, মাইনার মেরিন সার্ভিসেস’র মোহাম্মদ রেজাউল করিম, উইম্যান চেম্বারের ইয়ং এন্ট্রাপ্রিনরস এন্ড ইয়ুথ লিডারশিপ ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারপারসন ফারাহ সুলতানা শহীদ ও চৌধুরী গ্রুপের ডিএমডি শাহেদ সরোয়ার বক্তব্য দেন।
এমডিআইএইচ/এমএমকে
পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।
রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই ও স্থায়ী সমাধানে পাঁচ দফা প্রস্তাব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে রোডম্যাপ প্রণয়ন, মিয়ানমারে সহিংসতা বন্ধ, মানবিক...