[ad_1]
এমনকি অস্বাভাবিক মৃত্যুর ক্ষেত্রে মৃত ব্যক্তিদের পরিবারকে কেন মাত্র ২০ হাজার থেকে ৩০ হাজার রুপির মতো নগণ্য ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে, সেই প্রশ্ন তুলে এটিকে সামগ্রিকভাবে রাজ্য প্রশাসনের দায়িত্বজ্ঞানহীনতা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন বেঞ্চ। পাশাপাশি এই ৩৪টি মৃত্যুর ক্ষেত্রে হওয়া মামলার অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করে মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ধারণ নিশ্চিত করে এবং বাকিগুলোর কাজ দ্রুত শেষ করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে মণিপুর আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষকে। একই সঙ্গে তদন্ত ত্বরান্বিত করতে এবং সব কটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় এফআইআর দায়ের নিশ্চিত করতে আলাদা স্ট্যাটাস রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বাস্তুচ্যুত প্রতিটি মানুষের নিরাপত্তা ও তাঁদের মানসম্মান রক্ষা নিশ্চিত করার জন্য রাজ্য প্রশাসনকে কড়া হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। মামলার পরবর্তী শুনানি নির্ধারিত হয়েছে ২০২৬ সালের ৫ অক্টোবর।
২০২৩ সালের মে মাসে মণিপুরে শুরু হওয়া এই গোষ্ঠীগত সহিংসতা রাজ্যে যে অসীম ক্ষত সৃষ্টি করেছে, তার প্রতিক্রিয়া এখনো প্রতিধ্বনিত হচ্ছে মণিপুরের প্রশাসনিক ও আইন প্রাঙ্গণে। সম্প্রতি রাজ্য বিধানসভায় উত্থাপিত সরকারি তথ্য এবং দেশের সর্বোচ্চ আদালতের আদেশের মাধ্যমে মণিপুরের বর্তমান নিরাপত্তা, বাস্তুচ্যুত মানুষের জীবনযাত্রা এবং বিচারব্যবস্থার বাস্তবতা প্রকাশ্যে এসেছে।
আইনি প্রক্রিয়ার বর্তমান অগ্রগতি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে মণিপুর রাজ্যের পক্ষে অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল ঐশ্বর্য ভাটি বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আদালতের সামনে তুলে ধরেন। তিনি জানিয়েছেন, বিশেষ তদন্তকারী দল বা এসআইটির অধীনে এ পর্যন্ত ৩ হাজার ২০টি মামলা করা হয়েছে, যার মধ্যে ১ হাজার ৫৮৩টি মামলায় কোনো প্রমাণ না থাকায় চূড়ান্ত বা ক্লোজার রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে ৩০২টি মামলায় অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৮টি মামলায় বিচারপ্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সব মিলিয়ে ১ হাজার ১৩৫টি মামলা এখনো তদন্তাধীন অবস্থায় রয়েছে।
[ad_2]
Source link