[ad_1]
গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর হত্যাযজ্ঞের প্রতিবাদে ২০২৭ সালের ‘ইউরোভিশন সং কনটেস্ট’ বয়কটের ঘোষণা দিয়েছে আয়ারল্যান্ড।
ইউরোভিশন সংগীত প্রতিযোগিতায় ইসরায়েলকে অংশগ্রহণের প্রতিবাদ জানিয়ে নিজেদের নাম প্রত্যাহার করে নেওয়ার পাশাপাশি এই আসর সম্প্রচার না করারও সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির জাতীয় সম্প্রচারমাধ্যম আরটিই। দ্য গার্ডিয়ান এ তথ্য জানিয়েছে।
একই কারণ দেখিয়ে চলতিবছরেও ইউরোভিশন বয়কট করেছিল আয়ারল্যান্ড। এছাড়া আইসল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, স্পেন ও স্লোভেনিয়াও প্রতিযোগিতা থেকে সরে দাঁড়ায়।
আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে আরটিই জানায়, গাজায় ভয়াবহ ও অব্যাহত প্রাণহানি এবং সেখানে চলমান মানবিক সংকটের মুখে সাধারণ মানুষের জীবন যেখানে প্রতিনিয়ত ঝুঁকিতে পড়ছে, এমন বাস্তবতায় আয়ারল্যান্ডের অংশগ্রহণ কোনোভাবেই যুক্তিযুক্ত হতে পারে না।
আরটিই বলছে, গাজায় ভয়াবহ প্রাণহানি হয়েছে এবং সেখানে চলমান মানবিক সংকটে এখনো অসংখ্য বেসামরিক মানুষের জীবন ঝুঁকির মুখে রয়েছে।
প্রতিযোগিতার নিয়ম অনুযায়ী গত মে মাসে বুলগেরিয়া বিজয়ী হওয়ার সুবাদে ২০২৭ সালের ইউরোভিশন আসরটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে দেশটির কৃষ্ণসাগর তীরবর্তী শহর বুরগাসে।
পরিস্থিতি সামাল দিতে সম্প্রতি আয়োজক সংস্থা ইউরোপিয়ান ব্রডকাস্টিং ইউনিয়ন (ইবিইউ) নীতিমালায় পরিবর্তন এনেছে। তাতে বলা হয়েছে, কোনো রাষ্ট্র সশস্ত্র সংঘাত বা বড় ভূরাজনৈতিক সংকটে জড়ালে তারা ইউরোভিশন আয়োজনের সুযোগ পাবে না। তবে এই পদক্ষেপ সত্ত্বেও মূল প্রতিযোগিতা থেকে ইসরায়েলকে বাদ না দেওয়ায় ইউরোপের বিভিন্ন দেশের সম্প্রচারমাধ্যম ও শিল্পীরা সমলোচনা করেছেন।
গেলবারের প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় স্থান দখল করে ইসরায়েল। ইসরায়েলের অংশগ্রহণ ওই আসরে বিতর্কের ঝড় তোলে। গাজা যুদ্ধের জেরে ইসরায়েলকে বাদ দেওয়ার দাবি তুলেছিলেন প্রতিবাদকারীরা।
ফিলিস্তিন বলছে, গাজায় ইসরায়েলের হামলায় ৭৩ হাজারের বেশি মানুষের প্রাণ গেছে। ২০২৩ সালের অক্টোবরে হামাস-নেতৃত্বাধীন যোদ্ধারা দক্ষিণ ইসরায়েলে এক হামলায় ১,২০০ জনকে হত্যা করার পর এই যুদ্ধ শুরু হয়।
গেল বছর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়, যেখানে অঞ্চলটির পর্যায়ক্রমিক পুনর্গঠনের কথা বলা হলেও ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত রয়েছে।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মতে, ২০২৫ সালের ১১ অক্টোবর ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে ১ হাজার ৩৬৯ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে এবং ৪ হাজার ৬২৭ জন আহত হয়েছেন।
[ad_2]
Source link