[ad_1]
উন্নতির পাশাপাশি অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের কথাও তুলে ধরেন বিনায়ক সেন। তিনি বলেন, বৈষম্য একটা বড় সমস্যা। কম কর সংগ্রহে অর্থমন্ত্রীও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। শিক্ষা খাতে সরকারি ব্যয়ের হার ভারতের চেয়ে কম। স্বাস্থ্য খাতের গুরুত্বে দক্ষিণ এশিয়ার অন্য দেশগুলোর চেয়ে পিছিয়ে। অন্যদিকে দরকার মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির হারেরও গুণগত মান। প্রবৃদ্ধির হারের লক্ষ্যমাত্রা ৫ থেকে ৬ শতাংশে নামিয়ে আনার কথাও চিন্তা করা যেতে পারে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষক সায়মা হক বলেন, ২০১০ থেকে ২০১৬-১৭ সময়ে শ্রমবাজারে নারীর অংশগ্রহণে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। এখন কিন্তু পোশাক খাতে ৮০ শতাংশ নারী নেই। ফলে নতুন টার্নিং পয়েন্ট দরকার।
বৈষম্য নিরসনে অবকাঠামো উন্নয়নের ভূমিকার উদাহরণ দিতে গিয়ে সায়মা হক বলেন, রংপুর, কুষ্টিয়া ও যশোর অঞ্চলের শিক্ষার্থীরা যে ঢাকায় এসে বেশি হারে উচ্চশিক্ষা নিচ্ছে, এর পেছনে বঙ্গবন্ধু যমুনা সেতুর অবদান রয়েছে।
আলোচনায় সবার শেষে হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, ‘আর্থিক অগ্রগতি হলেও এ খাতে সুশাসন এখন বড় বিষয়। অন্যদিকে যেকোনো সমাজের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ সুষ্ঠু নির্বাচন। এ ব্যাপারে একটি ধারণা চলে এসেছিল। আমার মনে হয়, সমাজের জন্য রাজনৈতিক ব্যবস্থাপনার গুণগত উন্নয়ন এখন সময়ের দাবি।’
[ad_2]
Source link