[ad_1]
তবে বিএনপি সরকার গঠনের পর এই সংস্কার পরিষদ গঠন করেনি। তাদের দলের সদস্যরা সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথও নেয়নি। এর বদলে গত ১৩ জুলাই জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে সভাপতি করে ১২ সদস্যের ‘সংবিধান সংশোধন-সম্পর্কিত বিশেষ কমিটি’ গঠন করা হয়। কমিটিতে বিরোধী দল থেকে পাঁচ প্রতিনিধি চাওয়া হলেও তারা নাম দেয়নি। বিরোধী দল ওই কমিটিও প্রত্যাখ্যান করে।
বিশেষ কমিটি সূত্র জানায়, সরকারি দল আশা করেছিল, ১০ সেপ্টেম্বর শেষ হওয়া সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে বিরোধী দল বিশেষ কমিটিতে প্রতিনিধি দেবে। তবে শেষ পর্যন্ত বিরোধী দল বিশেষ কমিটিতে নাম দেয়নি। এমন পরিস্থিতিতে এখন বিশেষ কমিটি পুরোদমে তাদের কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে।
এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন গতকাল শনিবার দুপুরে প্রথম আলোকে বলেন, তিনি লংমার্চ কর্মসূচিতে থাকায় এনসিপিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে কি না, তা তিনি তখন পর্যন্ত জানেন না। তবে সংবিধান সংস্কার কীভাবে হবে, তা গণভোটের মাধ্যমেই নির্ধারিত হয়েছে। কিন্তু সে অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করা হয়নি। প্রথাগত পদ্ধতিতে সংবিধান সংশোধন করা হলে সংকটের সমাধান হবে না। যখন সংসদে বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়, তখনই তাঁরা সরকারকে জানিয়েছিলেন, এ ধরনের কমিটিতে তাঁরা থাকবেন না; সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন নিয়ে আলোচনা হলে সেখানে তাঁরা থাকবেন।
[ad_2]
Source link