[ad_1]
জিপিএস ট্র্যাকার শিশুকে নিরাপদ রাখার জাদুকরি কোনো যন্ত্র নয়। এটি একটি অতিরিক্ত নিরাপত্তা স্তর।
ডিভাইসটি কাজ করবে তখনই, যখন এর ব্যাটারি আছে, নেটওয়ার্ক আছে, অবস্থান নির্ণয় করতে পারছে এবং সেই তথ্য নিরাপদভাবে অভিভাবকের কাছে পৌঁছাচ্ছে। ঘরের ভেতর বা উঁচু ভবনের এলাকায় অবস্থান নির্ভুলতাও কমতে পারে।
তাই শিশুর নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো পদ্ধতি হলো একাধিক স্তরের ব্যবস্থা রাখা—শিশুকে প্রয়োজনীয় সচেতনতা শেখানো, নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা, জরুরি যোগাযোগের ব্যবস্থা রাখা এবং প্রয়োজন হলে একটি ছোট, নির্ভরযোগ্য ট্র্যাকার ব্যবহার করা।
ট্র্যাকার থাকলে অন্তত একটি প্রশ্নের উত্তর দ্রুত পাওয়া যেতে পারে, ‘আমার সন্তানকে শেষ কোথায় দেখা গেছে?’
নিখোঁজ হওয়ার মতো জরুরি পরিস্থিতিতে এই তথ্যটুকুও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
সূত্র: জিপিএস ডটগভ, অ্যাপল, ইজিট্র্যাক্স বাংলাদেশ, হোকো বাংলাদেশ ও বিডিস্টল
[ad_2]
Source link